নাটোরের বড়াইগ্রামে বাল্য বিয়ে দেওয়ায় কনের ভাই, কাজী ও ইমামকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আনোয়ার পারভেজ এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। দেশজুড়ে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই শুক্রবার রাতে উপজেলার কাচুটিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে গোপনে উপজেলার কাচুটিয়া গ্রামের ছইরদ্দিন মন্ডলের মেয়ে জোয়াড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী হাসি খাতুনের সঙ্গে নাটোর সদর উপজেলার হালসা গ্রামের এক যুবকের বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়। খবর পেয়ে ইউএনও আনোয়ার পারভেজ ঘটনাস্থলে যান। কিন্তু তার আগেই তড়িঘড়ি করে তাদের বিয়ে সম্পন্ন করে বর কনেকে সরিয়ে দেয় তারা।
এ সময় বাল্য বিয়ে দেওয়ায় কনের ভাই রবিউল মন্ডল, কাজী জয়নাল আবেদীন ও বিয়ে পড়ানোর অভিযোগে আব্দুল হামিদকে আটক করে পুলিশ।
পরে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত হাসি খাতুনকে বাবার বাড়িতে রাখা হবে মর্মে মুচলেকা নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ইমামকে ৪০ হাজার টাকা এবং কাজী ও কনের ভাইকে ত্রিশ হাজার টাকা করে মোট এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
শনিবার ইউএনও আনোয়ার পারভেজ বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বাল্য বিয়ে বন্ধে অভিযান চলমান রয়েছে। আগামী দিনে এ ব্যাপারে তৎপরতা আরো জোরদার করা হবে।
