জাতীয় দলের ক্রিকেটার ইমরুল কায়েসের বাবা বনি আমিনের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টার সময় মেহেরপুর জেলার সদর উপজেলার উজলপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে এই আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়।
করোনাভাইরাসের সর্তকতায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে জানাজায় জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা ছিল জেলা প্রশাসনের।
সে কারণে পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুস্তাফিজুর রহমান, সদর ইউএনও মাসুদুল আলম এবং সদর থানার ওসি শাহ দারার নেতৃত্বে সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছিল।
সামজিক দূরত্ব বজায় রেখে ও খুবই অল্প সংখ্যক মানুষকে নিয়ে এই জানাজা শেষ করতে হয়েছে।
জানাজায় ইমরুল কায়েসসহ কিছু নিকটাত্মীয় অংশ নেন। এই সময় কান্নায় বার বার ভেঙে পড়তে দেখা যায় ইমরুল কায়েসকে।
নিষেধাজ্ঞার কারণে গ্রামের শত শত মানুষকে বিভিন্ন বাড়ির ছাদ ও দূর স্থানে জড়ো হয়ে জানাজা কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করতে দেখা যায়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেই কারণে করোনা সতর্কতা হিসেবে মানুষজনকে নিরাপদ রাখতে জনপ্রিয় এই ক্রিকেটারের বাবার জানাজা নিয়ে প্রশাসনের সবোর্চ্চ সর্তকতা ছিল।
রাত থেকেই পুলিশ সদস্যরা পুরো এলাকা ঘিরে জানাজায় মানুষজনকে অংশ না নিতে মাইকিং করে অনুরোধ করা হয়েছিল।
ইমরুল কায়েস জানান, প্রশাসনিক নির্দেশ রক্ষার্থে পারিবারিকভাবেও মানুষজনকে দাফন ও জানাজা কাজে অংশ নিতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছিল।
সদর থানার ওসি শাহ দারা খাঁন জানান, প্রশাসনিক নির্দেশে জানাজায় ও দাফন কাজে লোক জমায়েত করতে দেওয়া হয়নি।
গত ২৩ মার্চ মেহেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ইমরুল কায়েসের বাবা গুরুতর আহত হলে তাৎক্ষণিক উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারযোগে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়।
সেখানে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ইমরুল কায়েসের বাবা মারা যান।
আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ইমরুল কায়েস বাবার মরদেহ নিয়ে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছান। ইমরুল মা-বাবার একমাত্র সন্তান।
