এক্সট্র্যাকশন: প্যারাগুয়ে ছেড়ে গল্প কেন বাংলাদেশে?

আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০২০, ১১:৩১ এএম

স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্স বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়। হালে ‘এক্সট্র্যাকশন’ সিনেমাটির জন্য আকর্ষণের পারদ আরও চড়েছে। কারণ বাংলাদেশে মূল দৃশ্যায়ন না হলেও এর কাহিনির কেন্দ্রস্থল ঢাকা। এমনকি ছবির প্রাথমিক টাইটেলও ছিল ‘ঢাকা’।

২৪ এপ্রিল মুক্তি পাওয়া এই ছবির নায়ক ‘অ্যাভেঞ্জার্স’ সিরিজের থর-থ্যাত ক্রিস হেমসওয়ার্থ। সঙ্গে আছেন বলিউডের রণদীপ হুদা ও পঙ্কজ ত্রিপাঠী-সহ কলকাতার কয়েকজন অভিনেতা। তবে টেকনিক্যাল টিমের খুচরো কিছু কাজ ছাড়া নেই বাংলাদেশের কেউ।

এমনিতে নেটফ্লিক্সে ভারতীয় অরিজিনাল কনটেন্টের অভাব নেই। আর কোনো অরিজিনাল কনটেন্টে প্রথমবার এলো বাংলাদেশ। মজার বিষয় হলো, যে গ্রাফিক্যাল নভেল অনুসারে এই সিনেমা নির্মিত তার পটভূমি কিছু ভারত বা বাংলাদেশ নয়।

আদতে ছবির গল্পটি ভারত-বাংলাদেশে এনে ফেলা হয়েছে একটি বিশেষ কারণে। চিত্রনাট্যকার জো রুশো গল্পটি লিখেছিলেন প্যারাগুয়ের প্রেক্ষাপটে এক দশক আগে। কিন্তু নেটফ্লিক্স এখন প্রবলভাবে ভারত-কেন্দ্রিক কনটেন্ট তৈরিতে আগ্রহী। কারণ বিগত আর্থিক বছরে সেখানে নেটফ্লিক্স যতটা আয় করবে ভেবেছিল, তার দ্বিগুণেরও বেশি ব্যবসা ইতিমধ্যেই করে ফেলেছে। তাই গল্পের প্রেক্ষাপট বদলে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ ও বাংলা কানেকশন রেখেছেন দুই ভাই জো এবং অ্যান্থনি রুশো। ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ড গেম’-খ্যাত দুই পরিচালক এই ছবির প্রযোজকও। আর এর মাধ্যমে পরিচালনায় অভিষেক হয়েছে স্যাম হারগ্রেভের।

ভারত ও বাংলাদেশ দুই দেশের দুই গ্যাংলর্ডের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও একটি কিডন্যাপ দিয়ে গল্প শুরু। অপহৃত এক কিশোরকে উদ্ধার করতেই বাংলাদেশে পা রাখে ক্রিস হেমসওয়ার্থ অভিনীত চরিত্রটি এবং তারপরে ঘটনা গড়াবে অন্য দিকে। ইতিমধ্যে ট্রেলারে ঢাকা দৃশ্য দেখে স্থানীয় দর্শকরা খুবই উচ্ছ্বসিত। যদিও মূল শুটিং হয়েছে থাইল্যান্ড ও ভারতে। আর বাংলাদেশে ধারণ করা দৃশ্যের সঙ্গে যুক্ত ছিল অভিনেতা তারিক আনাম খানের প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া ভাষাগত পরামর্শক হিসেবে ছিলেন ওয়াহিদ ইবনে রেজা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত