পবিত্র রমজান উপলক্ষে পাইকারি বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় কিছু পণ্যের দাম বাড়ার অজুহাতে কমলগঞ্জে খুচরা বাজারেও পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। উপজেলা প্রশাসন করোনাভাইরাস প্রতিরোধে হাট-বাজার নিয়ন্ত্রণে তৎপর থাকলেও কমলগঞ্জের হাট-বাজারে থামছে না জনসমাগম।
শনিবার সকালে কমলগঞ্জের বাজারগুলোতে নারী-পুরুষ ক্রেতাদের ভিড় দেখা যায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শমশেরনগর বাজারে আসা কয়েকজন নারী ও পুরুষ ক্রেতা বলেন, শনিবার থেকে রমজান মাস শুরু হয়েছে। তাই রমজান মাসের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই বাজারে এসেছেন। হঠাৎ করে নিত্যপণের দাম বেশ বেড়ে গেছে।
জানা যায়, গত এক সপ্তাহে কয়েক দফার পর একদিনে শুক্রবার থেকে বস্তা প্রতি ২৫০-৩০০ টাকা করে চালের দাম বেড়েছে।
প্রতি কেজি আদা ২০০ টাকা থেকে বেড়ে এখন হয়েছে ৩০০-৩৫০ টাকা। দেশি রসুন আগে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হত।
শুক্রবার থেকে সেই রেসুন ১০০-১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এলসির রসুন প্রতি কেজি ১৫০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৯০ টাকা। মসুরের ডাল ৭০ টাকা থেকে ১২০-১৩০ টাকা, চিড়া ৪৫ টাকা থেকে ৬০ টাকা, ভোজ্য তেল ৯০ টাকা থেকে ১০৫ টাকা, গুড়া মরিচ কেজি ৩০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা, দেশি গোল আলু ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা হয়েছে।
শমশেরনগর বাজারের মুদি দোকানি আব্দুর কাইয়ুম দেশ রূপান্তরকে বলেন, শ্রীমঙ্গল পাইকারি বাজারে এসব পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় খুচরা বাজারে দাম বেড়েছে।
চাল ব্যবসায়ী শাহীন আহমদও বলেন, চালের পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় তাদেরকে এখন বেশি দামে চাল কিনতে হয়েছে। তাই খুচরা বাজারে কেজি প্রতি ২ থেকে আড়াই টাকা বেড়েছে।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক দেশ রূপান্তরকে জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলছে। রমাজনকে উপলক্ষ করে বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কিছুটা বাড়ার সত্যতা নিশ্চিত করে নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, উপজেলা প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বাজার পর্যবেক্ষণ করবে।
