উন্নত দেশগুলোর নারীদের অনেকেই ডিম্বাণু সংরক্ষণের ব্যবস্থার সুবিধা গ্রহণ করছেন, যদিও এর জন্য খরচ করতে হয় বিপুল টাকা। পরবর্তী সময় গর্ভধারণ বা আরও উন্নত ডিম্বাণুর প্রত্যাশাসহ নানা সামাজিক ও শারীরিক কারণে ডিম্বাণু সংরক্ষণ করেন নারীরা। তবে এর জন্য চারটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি।
বেশ খরচে
এক থেকে তিন বছর পর্যন্ত ডিম্বাণুর সংরক্ষণের সেবা দিচ্ছে জাপানসহ অনেক দেশ। এ ক্ষেত্রে পুরো প্রক্রিয়ার জন্য অবস্থানভেদে ১৫ থেকে ২০ হাজার ডলার খরচ করতে হবে আপনাকে। তবে অনেক জায়গায় সেটা কম, যেমন বছরে এক হাজার ডলারের মধ্যে সম্ভব। তবে এই ডিম্বাণু ব্যবহার করে ভিট্রো ফার্টিলাইজেশনের জন্য খরচ পড়তে পারে ৫০ থেকে ৫০ হাজার ডলার।
গর্ভধারণ নিশ্চিত নয়
ডিম্বাণু সংরক্ষণ করলেও যে তাতে আপনার গর্ভধারণ হবে, সেটি নিশ্চিত নয়। চিকিৎসকেরা বলছেন, গর্ভধারণের জন্য একটি নির্দিষ্ট বয়স রয়েছে। সেই বয়স পার হয়ে গেলে গর্ভধারণে নানা ধরনের জটিলতা তৈরি হয়। এ জটিলতার কারণে গর্ভধারণ সম্ভব না হলে ডিম্বাণু ব্যবহার করেও তা সম্ভব হয় না। ইউরোপে এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৩০ বছর বয়সের নিচে ডিম্বাণু ফ্রিজ করে রাখার বেশ কয়েক বছর পর নারীদের সে ডিম্বাণু ব্যবহার করে সফল গর্ভধারণের হার ৩৬ থেকে ৬১ শতাংশ।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
অনেকের ক্ষেত্রে খিঁচুনি, ফোলা ভাব এবং দাগের সমস্যা দেখা দেয়। অনেকে মানসিক সমস্যায় পড়েন। এ ছাড়া ব্যথা ও বমি ভাবও লাগতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা হিসেবে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
খুব কম শিশুই জন্মে
বিশ্বের খুব কম শিশুই সংরক্ষিত ডিম্বাণু থেকে জন্মগ্রহণ করেছে বলে জানা যায়। তবে এ নিয়ে সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই। ১৯৮৬ সাল থেকে এ প্রক্রিয়া চলে আসছে। তবে গবেষকদের মতে, বর্তমানে বিশ্বে পাঁচ হাজারের মতো শিশু শিশু সংরক্ষিত ডিম্বাণু থেকে জন্মগ্রহণ করেছে বলে অনুমান করা হয়।
