ভারতের দিল্লির পর তেলেঙ্গানা এবং ঝাড়খণ্ডে করোনা রোগীকে প্লাজমা থেরাপি ট্রায়ালের অনুমতি দেয়া হয়েছে।
গান্ধী হাসপাতালের ড. রাজা রাও জানিয়েছেন, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিকেল রিসার্চ (আসিএমআর) থেকে বুধবার অনুমতি দেয়া হয়।
তিনি বলেন, ‘যাদের অবস্থা দিনকে দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে তাদের এই চিকিৎসা দেয়া হবে।’
এর আগে দিল্লির ৪৯ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে প্লাজমা থেরাপি দেয়া হয়। গত ৪ এপ্রিল তিনি করোনা পজিটিভ হন। থেরাপির পর তিনি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
আক্রান্তদের সারিয়ে তুলতে সেরে ওঠা ব্যক্তিদের রক্তের প্লাজমা অসুস্থদের দেওয়ার চিকিৎসা পদ্ধতির নাম প্লাজমা থেরাপি। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ নানা দেশ এটি দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশেও এভাবে চিকিৎসা শুরুর পরিকল্পনা চলছে।
রক্তের তরল, হালকা হলুদাভ অংশকে প্লাজমা বা রক্তরস বলে। তিন ধরনের কণিকা ছাড়া রক্তের বাকি অংশই রক্তরস।
চিকিৎসকেরা বলছেন, কভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা এ ভাইরাস মোকাবিলা করে টিকে থাকতে অ্যান্টিবডি তৈরি করে। এই অ্যান্টিবডি করোনাভাইরাসকে আক্রমণ করে। সময়ের সঙ্গে আক্রান্ত ব্যক্তির প্লাজমায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। ওই অ্যান্টিবডিই অসুস্থদের সারিয়ে তোলার জন্য ব্যবহার হয়।
আইসিএমআর জানিয়েছে, ভারতে জাতীয়ভাবে ডেটা সংগ্রহ করে এই থেরাপি বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
