গাজীপুরে শিশু হত্যার আসামি র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

আপডেট : ০৪ মে ২০২০, ১০:১২ এএম

গাজীপুরে শিশু আলিফ হোসেনকে (৫) অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি জুয়েল আহেমদ ওরফে সবুজ (২২) র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছে।

মহানগরীর কোনাবাড়ী পারিজাত এলাকায় রবিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

র‌্যাবের দাবি, গোলাগুলিতে তাদের ২ জন সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেক ১টি বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়।

নিহত জুয়েলের বাড়ি নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার পদিপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম রফিক উল্লাহ।

র‌্যাব-১ এর গাজীপুরের কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, জুয়েল আহেমদ ওরফে সবুজকে নিয়ে কোনাবাড়ী এলাকায় অভিযানে গেলে আগে থেকে ওৎপেতে থাকা সন্ত্রাসীরা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।

এ সময় র‌্যাব পাল্টা গুলি ছুড়লে শিশু আলিফ অপহরণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি জুয়েল নিহত হয়। এ সময় র‌্যাবের দুজন সদস্য আহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও দুই গুলি উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য, গাজীপুরের কোনাবাড়ি এলাকা থেকে অপহরণের ৫ দিন পর নিজ বাড়ির গোডাউন থেকে শনিবার রাতে অর্ধগলিত শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে র‌্যাব-১ এর সদস্যরা।

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সাগর নামে একজনকে আটক করা হয়। নিহত আলিফ হোসেন (৬) ওই এলাকার ঝুট ব্যবসায়ী মো. ফরহাদের ছেলে।

পরে অপহরণকারীরা শিশু আলিফের বাবার কাছে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণের টাকা নিতে অপহরণকারীরা আলিফের বাবা ফরহাদ হোসেনকে টঙ্গীসহ বিভিন্ন স্থান ঘুরিয়ে পুবাইল এলাকায় আসে। সেখানে পূর্ব থেক উৎপেতে ছিলেন র‌্যাব সদস্যরা।

পরে পূবাইল থেকে সাগর নামে একজনকে আটক করা হয়। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, ফরহাদের চার তলা বাড়ির তিন তলার ঝুটের গোডাউন থেকে শিশু আলিফর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সাগরসহ কয়েকজন ফরহাদের বাড়ির তিন তলাতে ঝুটের গোডাউনের পাশের ইউনিটে ভাড়া থাকতেন। আর দোতলায় পরিবার নিয়ে বসবাস করেন বাড়ির মালিক ফরহাদ।

তার বাড়ির ছাদে উঠে নারীদের উত্ত্যক্ত করার ঘটনায় বাড়িওয়ালা ফরহাদ সাগরকে চড়-থাপ্পড় মেরেছিল। রাগের বশে তারা ফরহাদের ছেলেকে অপহরণ করেছে বলে সাগর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত