দিনাজপুরের সদর উপজেলার চেহেলগাজী ইউনিয়নের উত্তর গোবিন্দপুর দেশীয়াপাড়া এলাকায় এক ইটভাটা শ্রমিক করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তবে মৃত্যুর পূর্বে ওই ইটভাটা শ্রমিকের করোনাভাইরাসের কোন উপসর্গ ছিল না বলে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
মৃত ওই ব্যক্তি স্থানীয় একটি ইটভাটায় কাজ করার সময় অসুস্থ হয়ে বমি করতে থাকলে অন্যান্য শ্রমিকরা তাকে তার পরিবারের কাছে নিয়ে আসে। পরে পরিবারের সদস্যরা বুকের ব্যথা ভেবে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালে আনার পর ওই ইটভাটার শ্রমিককে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
দিনাজপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সূত্রে জানা যায়, মৃত ওই ব্যক্তি হাসপাতালে মারা গেলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার নমুনা সংগ্রহ করে। সেই নমুনার ফলাফলে সোমবার ওই ব্যক্তির করোনা উপস্থিতি পাওয়া যায়।
দিনাজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্বাসী মাগফুরুল হাসান জানান, সদরের চেহেলগাজী ইউনিয়নের উত্তর গোবিন্দপুর এলাকার এক ইটভাটা শ্রমিকের মৃত্যুর ৩ দিন পর করোনা পজিটিভ এসেছে। আমরা পুরো গ্রামটিকে লকডাউন করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। সবাইকে সতর্ক করা হবে। মঙ্গলবার থেকে পুরো গ্রাম লকডাউন করা হবে।
এ বিষয়ে দিনাজপুর সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, গত ১ তারিখে সদর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের একজন ইটভাটার শ্রমিক কাজ করতে করতে অসুস্থ হয়ে পরলে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ করোনায় আক্রান্ত কিনা জানার জন্য নমুনা সংগ্রহ করেন। তিনদিন পর সোমবার নমুনার ফলাফলে করোনা পজিটিভ এসেছে। এখন আমরা দেখতেছি তিনি কার কার সাথে মেলামেশা করেছেন এবং কোথায় কোথায় গেছেন তাদেরকে চিহ্নিত করে কোয়ারেইন্টানের ব্যবস্থা করা হবে।
