খুলনায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পেয়ে এক নারী ঢাকায় পালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার খুলনা মেডিকেল কলেজে (খুমেক) পিসিআর ল্যাবে তার করোনা টেস্ট রিপোর্ট পজিটিভ পাওয়া যায়। এরপর তাকে করোনা হাসপাতালে ভর্তি হতে বললেও তিনি ভর্তি না হয়ে গোপনে ঢাকায় ফিরে গেছেন।
করোনা আক্রান্ত নারীর বোন বলেন, স্বামী মতিন পিকআপ গাড়ির চালক। তাই তারা ঢাকা থেকে একসঙ্গে তার বাড়িতে এসেছিলেন। করোনা ধরা পড়ায় তিনি আবার ঢাকায় ফিরে গেছেন।
খুলনা সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহম্মেদ বলেন, গত শনিবার ঢাকার কামরাঙ্গীচর থেকে স্বামী মতিনকে নিয়ে পিকআপ করে খুলনায় এসেছিলেন। পরে জেলার দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি গ্রামের মদিনা মসজিদের সামনে তার বোনের বাড়ি যান। এরপর খুমেক হাসপাতালে তার করোনা টেস্টের নমুনা নেওয়া হয়। তিনি নমুনা দিয়ে আবার সেনহাটি ফিরে যান। অথচ তাকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার জন্য বলা হয়েছিল। তার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসার পর গোপনে তিনি আবারও স্বামীকে নিয়ে ঢাকায় চলে গেছেন।
যেহেতু পলির করোনা পজিটিভ তাই পপির বাড়িটি লকডাউন করার জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে বলা হয়েছে।
খুমেক হাসপাতালের পরিচালক মুন্সী মোহাম্মদ রেজা সেকেন্দার বলেন, পলি নামে এক গৃহবধূ করোনা টেস্টের জন্য নমুনা দিয়ে যান। ওই সময় তাকে হাসপাতালের আইসোলেশনে ভর্তি হওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি তা না শুনে বাড়িতে চলে যান। পরে তার করোনা ধরা পড়লে তিনি এলাকা ছেড়েছেন।
