ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গত ১০ মে সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সীমিত আকারে শরীয়তপুরে দোকান খোলার সুযোগ দেয় প্রশাসন। কিন্তু একেবারেই সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখায় সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা হয়েছে।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কায় মার্কেট, শপিংমল ও দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটি।
এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
মার্কেট, শপিংমল ও দোকান খোলা না রাখার বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, এই সিদ্ধান্ত রবিবার (১৭ মে) সকাল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
একই সঙ্গে এক জেলা থেকে অন্য জেলায়, এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় সকল ধরনের গণপরিবহন ও যান চলাচল বন্ধ থাকবে।
তবে জরুরি পরিষেবা, চিকিৎসাসেবা, কৃষিপণ্য, নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য সরঞ্জাম সংগ্রহ ও পরিবহন এর আওতাবহির্ভূত থাকবে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের জানান, গত ১০ মে সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সীমিত আকারে দেশের বিভিন্ন স্থানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দোকান খোলার সুযোগ দিয়েছিল সরকার। সেই মোতাবেক সকল মার্কেট, শপিংমল ও দোকানপাটে বিক্রয় কাজ শুরু হয়।
কিন্তু জেলায় গত এক সপ্তাহে দেখা গেছে- মার্কেট, শপিংমল ও দোকানপাটে কোনো ধরনের স্বাস্থ্য সুরক্ষার উপকরণ রাখা হচ্ছে না। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব একেবারেই বজায় রাখা হচ্ছে না।
জেলা প্রশাসক বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কায় সচেতন ব্যক্তিবর্গ ও করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটি এই সিদ্ধান্ত নেয়।
