নভেল করোনাভাইরাস মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডব্লিউএইচও’র পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভায় বিশ্বনেতাদের প্রশ্নবাণে জর্জরিত হতে পারে চীন।
ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভাইরাসের কথা আগেভাগে না জানানোয় আমেরিকা এমনিতে চীনকে প্রতিদিন ধুয়ে দিচ্ছে। তাদের সঙ্গে কানাডা, জার্মানি, ব্রিটেন এবং অস্ট্রেলিয়াও যোগ দিচ্ছে। ভাইরাস কীভাবে ছড়ালো, কেন আগে জানানো হল না দেশগুলো সেই প্রশ্ন করবে চীনের কাছে।
সোমবার সদস্য দেশগুলো ভার্চুয়াল বৈঠকে বসবে। জেনেভা থেকে বৈঠকটি নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
বৈঠকের আগে তাইওয়ানকে নিয়ে চলছে আলোচনা। দেশটিকে অংশ নিতে চাপ দিচ্ছে আমেরিকা। বলা হচ্ছে, তাইওয়ান চীনের ‘কার্যকলাপ’ ভালোভাবে জানে।
সাউথ চীনা মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে আবার বলা হয়েছে, আমেরিকার সঙ্গে বাকি দেশগুলো তদন্তের দাবি জোরালো করলে এই মহামারীর সময়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দ্বিগুণ চাপে পড়বে। এমনিতে চীনের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক নিয়ে চারদিকে কানাঘুষা চলছে। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস পর্যন্ত গড়াতে পারে!
গত ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান থেকে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একে বৈশ্বিক মহামারী ঘোষণ করতে করতে জানুয়ারির শেষ দিক পর্যন্ত সময় নেয়। শুরুতে আবার অনেক দেশকে চীনের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ না করার আহ্বানও জানানো হয়!
যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্য অনুযায়ী, কভিড-১৯ রোগে গোটা পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত ৪৬ লাখ ৩২ হাজার ৯০৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু ৩ লাখ ১১ হাজার ৭৩৯ জনের। সুস্থ হয়েছেন ১৬ লাখের বেশি মানুষ।
