চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলায় ক্রমেই বেড়ে চলেছে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। গত ৮ এপ্রিল নারা্যেণগঞ্জ থেকে আসা ব্যাংকের এক কর্মচারীর করোনা শনাক্তের পর সোমবার পর্যন্ত এই সংখ্যা ৪০ এ পৌঁছায়।
রবিবার নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ৩ জন থাকলেও সোমবার এ সংখ্যা ১১তে পৌঁছায়। ফলাফলের অপেক্ষায় আছে আরও ৫০ জনের নমুনা।
প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে ১৫৪১ জনকে। শ্রমিক করেনা আক্রান্ত হওয়াতে ইতিমধ্যে লকডাউন করা হয়েছে কুমিরায় অবস্থিত পিএইচপি ঢেউটিন কারখানা, ভাটিয়ারীর সীমা অটো স্টিল মিল নামক ১টি রড তৈরির কারখানা ও বাড়বকুন্ডের বিএমএলপিজি নামের এলপি গ্যাসের কারখানা। ছাত্র, গৃহিণী, শ্রমিক, ব্যবসায়ী, চাকরীজীবীসহ সব শ্রেণিপেশার মানুষের মধ্যে করোনা ছড়িয়ে পড়েছে। উপজেলার পৌরসভা ও সলিমপুরে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হলেও ইতিমধ্যে প্রতিটা ইউনিয়নে করোনা ছড়িয়ে পড়েছে।
দেড় হাজারের অধিক মানুষকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হলেও বেশিরভাগ মানুষই নির্দেশনা মানছেন না বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
শনিবার পৌরসভার বিভিন্ন বাজারে ঘুরে দেখা যায়, স্বাভাবিক সময়ের মতই জনসমাগম। ঈদের কেনাকাটা করতে নারীদের উল্লেখযোগ্য ভিড় লক্ষ করা গেছে সব বিপণিবিতানগুলোতে।
পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করলেও মানুষের মাঝে এর তেমন প্রভাব দেখা যাচ্ছে না। সামাজিক দূরত্বতো মানছেই না আবার বেশিরভাগ মানুষ মাস্কও ব্যবহার করছেন না।
দ্রুত করোনা ছড়িয়ে পড়ার কারণ হিসেবে উপজেলা প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নুর উদ্দিন রাশেদ জানান, করোনা শনাক্ত অনেকের শরীরে হালকা জ্বর ছাড়া আর কোনো লক্ষণ ছিল না। কারো কারো শরীরে জ্বরও ছিল না। যার ফলে এরা লোকালয়ে অবাধে চলাফেরা করার কারণে করোনা ছড়িয়ে পড়ছে।
