নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও যুবদল নেতা মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ ও তার স্ত্রীকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার দুপুরে কাউন্সিলরের সচিব আলী সাবাব টিপু এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য কাউন্সিলর খোরশেদ ও তার স্ত্রীকে নারায়ণগঞ্জ সাজেদা হাসপাতাল থেকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার স্ত্রী বর্তমানে অক্সিজেন সাপোর্টে রয়েছেন, প্রয়োজনে আইসিইউ সাপোর্ট দেওয়া হবে। কাউন্সিলর খোরশেদ মোটামুটি সুস্থই রয়েছেন।
করোনা সংকটের মধ্যেও ৬১ লাশ দাফনসহ জীবন বাজী রেখে মানুষের জন্য কাজ করা নারায়ণগঞ্জের করোনা বীরখ্যাত কাউন্সিলর খোরশেদের স্ত্রীর অবস্থা জটিল বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শনিবার রাতে পোস্ট দেন তিনি নিজেই।
এরপর দেশ রূপান্তরের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, করোনায় আক্রান্ত স্ত্রী আফরোজা খন্দকার লুনার শ্বাসকষ্ট বাড়ার পাশাপাশি পুরো শরীর নিস্তেজ হয়ে গেছে। স্বামী খোরশেদ করোনা পজিটিভ হওয়ার খবরে আরও ভেঙ্গে পড়েছেন তিনি।
খোরশেদ আরো জানিয়েছিলেন, শনিবার বিকেল থেকে নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকায় সংকটাপন্ন স্ত্রীর জন্য আইসিইউ ম্যানেজ করতে বিভিন্ন হাসপাতালে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন।
শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় করোনা বীর খোরশেদ জানান, আমার স্ত্রীর অবস্থা সংকটাপন্ন। কোথাও আইসিইউ খালি পাচ্ছি না। নারায়ণগঞ্জে শুধু সাজেদা হাসপাতালে চারটি আইসিইউ বেড রয়েছে। সেগুলোও পরিপূর্ণ। আর কোথাও নেই। এক ঘণ্টার মধ্যে কোনো ব্যবস্থা না হলে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
শনিবার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে দেশ-বিদেশে আলোচিত কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের। এর আগে তার স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হয়ে আইসোলেশনে বাড়ীতেই রয়েছেন।
কাউন্সিলর খোরশেদ বলেন, আমার দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। আমি করোনা শুরু হওয়ার পর থেকে শুক্রবার পর্যন্ত ৬১টি লাশ দাফন করেছি।
