ইলন মাস্কের ব্যক্তিগত রকেট কোম্পানি স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯’এ করে রবিবার রাতে ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে পা রেখেছেন বব বেহেনকেন এবং ডগ হারলি। শনিবার তারা যাত্রা করেন।
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, আমেরিকা থেকে এই প্রথম বেসরকারি রকেটে করে মহাকাশে যাওয়া দুই বিজ্ঞানী রবিবার রাত ১১টা ২২ মিনিটে (বাংলাদেশ সময়) স্টেশনে অন্য তিন মহাকাশচারীর সঙ্গে যোগ দেন। ওই তিনজন আগে থেকেই সেখানে আছেন।
স্টেশনে যাওয়ার পর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেন তারা। এরপর রক্তচাপ এবং তাপমাত্রা পরীক্ষা করে দুজন ওই তিন মহাকাশচারীর সঙ্গে হাত মেলান।
‘ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে স্বাগত,’ নতুন দুই সতীর্থকে এভাবে গ্রহণ করেন স্টেশনের বর্তমান কমান্ডার ক্রিস্টোফার ক্যাসিডি, ‘দয়া করে ভেতরে আসুন।’
আমেরিকা থেকে সবশেষ ৯ বছর আগে কোনো মার্কিন ক্রু মহাকাশে যান।
গত ২৭ মে এই মিশন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কারিগরি ত্রুটি এবং বৈরি আবহাওয়ার কারণে পিছিয়ে যায়।
বিবিসি জানিয়েছে, বব বেহনকেন এবং ডগ হারলি এই অভিযানে নতুন ক্যাপসুল সিস্টেমের যেমন ট্রায়াল দেবেন তেমনি নাসার নতুন ব্যবসায়িক পরিকল্পনাকেও বাস্তবায়ন করবেন। তারা সেখানে কয়েক মাস থাকতে পারেন।
নাসা এখন নিয়মিত এভাবে মহাকাশচারীদের বেসরকারি রকেটের মাধ্যমে পাঠাতে পারে কি না, এই মিশনে সেই সক্ষমতা যাচাই করা হবে।
এই মিশনে দুই বিজ্ঞানী ক্রু ড্রাগন ক্যাপসুলের সব পার্ট পরীক্ষা করে দেখবেন। নাসার ইতিহাসে এই প্রথম কক্ষপথে থাকা অবস্থায় মহাকাশচারীরা স্পেসএক্স ক্রু ড্রাগন পরীক্ষা করবেন।
ড্রাগন ক্যাপসুল অটোমেডেট মহাকাশযান। অর্থাৎ এটি আপনাআপনি স্টেশনে নিজস্ব পথ খুঁজে নিয়েছে। সেটি হলেও দুই বিজ্ঞানী বুঝতে চেয়েছেন তাদের হাতে মহাকাশযানটি কেমন কাজ করে।
এই ড্রাগনের কোনো কন্ট্রোল স্টিক নেই; সব ফ্লাইট টাচস্ক্রিন প্যানেলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়।
