মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোস্ট যে যুক্তি দেখিয়ে ফেসবুক প্রধান মার্ক জাকারবার্গ ছাড় দিচ্ছেন, তা যথোপযুক্ত নয় বলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন কোম্পানিটির কর্মীরা।
রয়টার্স জানায়, প্রতিবাদের জন্য তারা প্রতিদ্বন্দ্বী সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম টুইটারকে বেছে নিয়ে সেখানে একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিসে পুলিশের হাতে এক কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিকের হত্যার ঘটনা নিয়ে দুইটি টুইট করেন ট্রাম্প। টুইট দুইটিতে ‘ফ্যাক্ট-চেক’ লেবেল জুড়ে দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে লড়াইয়ে জড়ায় টুইটার।
টুইটারের সঙ্গে ট্রাম্পের বিরোধের পরও ফেসবুকে ওই পোস্টগুলো রেখে দেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মটির কর্মীরা। এ নিয়ে কোম্পানিটিতে দুইভাগ হয়ে যান কর্মীরা। দুই পক্ষের বিরোধ গত মাসের শেষে সামনে আসে।
এর আগে জাকারবার্গ বলেন, আমি মনে করি না সামাজিক মাধ্যমের উচিত সত্যের বিচার করা। রাজনীতিবিদরা কী বলছেন তা মানুষের দেখা উচিত।
মিনেসোটার বিক্ষোভ নিয়ে পোস্ট ফেসবুকের নীতিমালা লঙ্ঘন করেনি বলেও দাবি করেন জাকারবার্গ।
ট্রাম্পের পোস্টের ক্ষেত্রে টুইটারের মতো ফেসবুকেরও উচিত কঠোর ব্যবস্থা নেয়া, এমনটাই মত কোম্পানিটির কর্মীদের। এই ক্ষেত্রে তারা জাকারবার্গের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন এবং প্রতিবাদ জানান।
টুইটারে এক যৌথ বিবৃতিতে ফেসবুক কর্মীরা জানান, ফেসবুকের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত হলো সহিংসতাকে উস্কে দেওয়া পোস্টে পদক্ষেপ না নেওয়া। আমরা অনুরোধ হচ্ছে, ফেসবুকের নেতৃত্ববৃন্দ যাতে যথাযত পদক্ষেপ নেন।
