করোনা পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার দ্বন্দ্ব তীব্রতর হয়ে উঠছে। জুনের মাঝামাঝি থেকে চীনা যাত্রীবাহী ফ্লাইট বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহণ মন্ত্রণালয় জানায়, করোনা সংক্রমণ কমে আসার পরেও মার্কিন ফ্লাইট চালু করার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় বেইজিংকে শাস্তি দিতে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
বিবিসি জানায়, করোনা সংক্রমণ নিয়ে চীনকে দোষারোপ করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। এরমধ্যে হংকং পরিস্থিতি নিয়ে মুখোমুখি দুই দেশ। তবে নতুন সিদ্ধান্তকে ওয়াশিংটন 'ভ্রমণ সংক্রান্ত' ইস্যু হিসেবে দেখছে।
এয়ার চায়না, চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্স, চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্স এবং হাইনান এয়ারলাইন্স- এই চারটি বিমান কোম্পানির ফ্লাইট বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মহামারীর সময়েও সীমিত আকারে দুই দেশের মধ্যে কোম্পানিগুলোর ফ্লাইট চালু ছিল।
তবে ফ্লাইট বন্ধের এই সিদ্ধান্ত এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এমন ঘোষণায় অনড় সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে চীন। বৃহস্পতিবার দেশটির বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানায়, বিদেশি ফ্লাইটকে চীনে ভ্রমণে অনুমতি দেয়া হবে। ফলে চীনে মার্কিন ফ্লাইট নিয়ে বাধা কাটতে যাচ্ছে।
