রাশিয়ায় ২০ হাজার টন জ্বালানি তেল নদীতে ছড়িয়ে পড়ায় রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেঝেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার নরিলক্সে একটি থার্মাল পাওয়ার স্টেশনে বিশালাকার জ্বালানির ট্যাংকার ফেটে যায়। খনন কাজের সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থা ডিজেল রেখেছিল ট্যাংকে। সেই ট্যাংক আচমকা ফেটে বেশিরভাগ ডিজেল মিশে যায় নদীতে। এর ফলেই এমন ঘটনা ঘটে।
বলা হচ্ছে, তেল ছড়িয়ে পড়ায় ১২ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে পানির রং লাল হয়েছিল। আধুনিক রাশিয়ার ইতিহাসে এটিই তেল মিশে নদী দূষণের সবচেয়ে বড় ঘটনা।
রাশিয়ার উত্তরাংশের এ শহরটি সুমেরু বৃত্তের ১৮০ মিটার ওপরে অবস্থিত। তাইমিরশকি দলগ্যানোর জেলার একটি রিসার্ভারেও কিছুটা ডিজেল মিশে গেছে। আম্বার্নোয়া ও দাদিকান নদীতে মিশেছে বেশিরভাগ তেল। ফলে ওই নদীর জলের রং লাল হয়ে গেছে।
খবরে বলা হচ্ছে, দূষণের পরিমাণ এতটাই ভয়াবহ যে, স্যাটেলাইট ছবিতেও ধরা পড়ছে। গুগল ম্যাপ ও ইয়ান্ডেক্স স্যাটেলাইট ছবিতেও নদীর জলের লাল রং ফুটে উঠেছে। ঘটনার পর কয়েকদিন কেটে গেলেও স্থানীয় প্রশাসন বুঝতে পারছে না যে ঠিক কী করা উচিত।
এরপর বৃহস্পতিবার পুতিন জরুরি অবস্থা জারি করেন।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, নদীর ৩৫০ স্কয়ার কিলোমিটার এলাকা জুড়ে দূষণ ছড়িয়েছে।
এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন ছাড়াও সংশ্লিষ্ট প্রধানকে বরখাস্ত করেছে রাশিয়া সরকার।
