জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) এক কর্মকর্তা মারা গেছেন। গত সোমবার রাত ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এছাড়া খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে সোমবার রাত ১১টা থেকে গতকাল মঙ্গলবার ভোর ৫টা পর্যন্ত আরও চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, সোমবার রাতে পিডিবির উচ্চমান সহকারী আনোয়ার হোসেন (৫২) অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্বজনরা। নমুনা সংগ্রহ করে তাকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে পাঠানো হয়। সেখানে রাত ১০টায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় পৌর শহরের বাঞ্চানগর গ্রামের আনোয়ারেরসহ ৩টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।
খুমেক হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ও করোনা ওয়ার্ডের মুখপাত্র ডা. মিজানুর রহমান জানান, নগরীর বাবু খান রোডের পান্না ওয়াজেদ (৭০) জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে সোমবার বিকেল ৫টার দিকে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হন। মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়। নগরীর টুটপাড়ার সরকারি সুন্দরবন কলেজ এলাকার মহাসিন খোকন (৫৫) সোমবার দুপুর ১২টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হন। দুদিন ধরে তিনি জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। রাত ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়। জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে নড়াইল সদর উপজেলার মহেশখোলা গ্রামের মৃত আক্কাস শেখের ছেলে কাশেম শেখ (৩৬) সোমবার বিকেল ৫টার দিকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হন। রাত পৌনে ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এছাড়া সোমবার বিকেল ৫টার দিকে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে কুয়েট মোড়ের আব্দুল হাইয়ের স্ত্রী মরিয়ম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হন। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনিও মারা যান। চারজনেরই নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানান ডা. মিজানুর রহমান।
