গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে আরও ৮টি ইউনিয়ন। প্রতিদিন নতুন নতুন ইউনিয়ন ও গ্রামের পর গ্রাম বন্যাকবলিত হয়ে পড়ছে। এ নিয়ে বন্যাকবলিত হলো সদর উপজেলা, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার ২৬টি ইউনিয়ন।
বন্যাকবলিত এসব ইউনিয়নের এক লাখ ২০ হাজার ৩০০ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার বিপদসীমার ৭৯ সেন্টিমিটার উপরে ছিল ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ও ৫১ সেন্টিমিটার উপরে ঘাঘট নদীর পানি। শিশু খাদ্য, বিশুদ্ধ খাবার পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন সমস্যার সাথে সাথে বেড়েছে গবাদিপশুর খাদ্য সংকট। এছাড়া চরাঞ্চলে দেখা দিয়েছে ডাকাত আতঙ্ক। নদীভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এ কে এম ইদ্রিশ আলী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেশ রূপান্তরকে বলেন, বন্যা কবলিত এলাকায় বিতরণের জন্য চার উপজেলায় নতুন করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে আরও ১০০ মেট্রিক টন চাল ও নগদ চার লাখ টাকা। এ নিয়ে মোট ২০০ মেট্রিক টন চাল ও ১৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলো। এসব নগদ টাকা দিয়ে শুকনো খাবার কিনে দেওয়া হবে বন্যার্তদের। যা বিতরণ শুরু হয়েছে বলে জানান এ কে এম ইদ্রিশ আলী।
এদিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি জেলার ফুলছড়িঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ৭৯ সেন্টিমিটার ও ঘাঘট নদীর পানি জেলা শহরের নতুন ব্রীজ পয়েন্টে ৫১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এছাড়া বিপদসীমার নিচে থাকলেও করতোয়া নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে বলে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে।
