দিল্লির সরকারি বাংলো ছাড়তে নোটিশ গেল কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর কাছে। ১ আগস্টের মধ্যে না ছাড়লে গুণতে হবে জরিমানা। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ১ জুলাই থেকে তার নামে বরাদ্দ এই বাংলো বাতিল এবং বকেয়া হিসেবে ৩ লাখ ৬৪ হাজার রুপি পাওনা রয়েছে সরকার।
আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এই নির্দেশের উল্লেখ এনডিটিভি জানায়, ৩৫ লোধি এস্টেটের বাংলো প্রিয়াঙ্কাকে ছাড়তেই হবে। ১৯৯৭ সাল থেকে তার নামে সেই বাংলো বরাদ্দ। একমাত্র স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিলে বাড়তে পারে বরাদ্দের মেয়াদ।
ইতিমধ্যে গান্ধী পরিবারের ওপর থেকে এসপিজি নিরাপত্তা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তারা এখন বিশেষ সিআরপিএফ নিরাপত্তা বলয়ের আওতাভুক্ত। একমাত্র নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশে এই নোটিশ পুনর্বিবেচনা হতে পারে।
গত বছরই এসপিজি আইন পরিবর্তন করে কেন্দ্র। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে তখনই এ নিয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল। নতুন আইনে বলা হয়, একমাত্র প্রধানমন্ত্রী এবং তার সঙ্গে বসবাসকারী পরিবারের সদস্য ছাড়া আর কাউকে এসপিজি নিরাপত্তা দেওয়া হবে না। পুরোনো আইনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তাদের পরিবারও এই নিরাপত্তা পেতেন।
এ দিকে করোনা-পরিস্থিতিতে প্রিয়াঙ্কার বাড়ি ছাড়ার নোটিশকে প্রতিহিংসামূলক বলছে কংগ্রেস। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং এসপিজি ফেরানোর দাবি তোলেন। তার মতে, গান্ধী পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে আর কোনো আশঙ্কা নেই, এ ধারণা ভুল। কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা বলেন, ‘‘কংগ্রেস নেতৃত্বের প্রতি বিজেপি ও মোদী সরকারের অন্ধ ঘৃণা ও প্রতিশোধের ভাবনাই এতে স্পষ্ট। বাড়ি খালি করার নোটিশেও মোদীজি-যোগীজির অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। এই তুঘলকি সিদ্ধান্তে আমরা ভয় পাই না।’’ তবে গান্ধী পরিবারের নির্দেশ মেনে এখন এ নিয়ে খুব জোরালো প্রতিবাদের পথে হাঁটছে না কংগ্রেস। বরং লখনউয়ে গোখলে রোডে ইন্দিরা গান্ধীর মামী প্রয়াত শীলা কলের বাড়িটি প্রিয়াঙ্কার নতুন ঠিকানা হতে যাচ্ছে।
