সরকারি জায়গা দখল করে পাল্টাপাল্টি দোকান নির্মাণ

আপডেট : ০৩ জুলাই ২০২০, ০৩:১৭ পিএম

ফরিদপুরের বোয়ালমারীর রুপাপাত ইউনিয়নের টোংরাইল খালের সরকারি জায়গা দখল করে ঘর উত্তোলন করায় সেখানে উত্তেজনা পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সরকারি সম্পত্তি রক্ষা ও অবৈধ দখলদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করায় উল্টো সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে তাদের বিপাকে ফেলার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

অবৈধভাবে দোকানঘর উত্তোলন নিয়ে এলাকায় দুটি গ্রুপের পাল্টাপাল্টি অবস্থান নেওয়ায় সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

স্থানীয়রা জানায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে থাকা রুপাপাত ইউনিয়নের টোংরাইল খালটির বেশকিছু অংশ সম্প্রতি খনন করা হয়। খালটি খননের আগে ব্রিজের কাছে আনন্দ বিশ্বাসসহ কয়েকজন দোকানঘর তুলে সেখানে ব্যবসা করে আসছিলেন।

গত দুই মাস আগে খালটি খনন করা হলে সেই দোকান তুলে দেওয়া হয়। খালটি খননের পর পুতুল রানী বিশ্বাস গং পূর্বে যারা দোকান তুলে ব্যবসা করে আসছিলেন তাদের বাদ দিয়ে নিজেরা রাতের আঁধারে ৮/১০টি দোকান ঘর উত্তোলন করেন।

এ নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি।

বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য ইউএনও দায়িত্ব দেন ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তাকে। ভূমি কর্মকর্তা সরেজমিনে গিয়ে তদন্তকালে অবৈধভাবে দোকানঘর উত্তোলনকারীরা তাকে বাধা দেয়।

দখলদারদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে নোটিশ প্রদান করার পর স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তি ইউএনও’র বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে রুপাপাত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিজার রহমান জানান, যারা পূর্বে দোকান তুলেছিল তারা নতুন করে দোকান উত্তোলন করতে পারেনি। অন্যপক্ষ সেখানে বেশকিছু দোকানঘর তুললে উত্তেজনা চলে আসছে। সরকারি জমিতে অবৈধভাবে দোকানঘর উত্তোলন করায় সেগুলো ভেঙে দিতে ইউএনও মহোদয়কে অনুরোধ করেছি।

বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঝোটন চন্দ বলেন, সরকারি স্বার্থ ও অবৈধ দখলকৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করা আমাদের দায়িত্ব। এ বিষয়ে আপোস করার কোনো সুযোগ নেই। যারা অবৈধভাবে দোকানঘর উত্তোলন করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সরকারি কাজে বাধা দান এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করার পর তারা উল্টো মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত