দেশে চিকিৎসাবর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা বাস্তবায়নে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে তা জানতে চেয়েছে উচ্চ আদালত। আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এ বিষয়ে প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্টকে জানাতে বলা হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল রবিবার শুনানি শেষে বিচারপতি জে বি এম হাসানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
চিকিৎসাবর্জ্যরে বিধিসম্মত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতের তাগিদ দিয়ে গত ১২ জুলাই পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ড. আনিকা আলী ও মানবাধিকার সংগঠন ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে ব্যারিস্টার মো. হুমায়ুন কবির পল্লব ও ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাউছার পরিবেশ ও বন সচিব, স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক, বন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তরসহ দেশের সকল সিটি করপোরেশনের মেয়রদের উদ্দেশে ই-মেইলের মাধ্যমে আইনি নোটিস পাঠান।
ব্যারিস্টার হুমায়ুন কবির পল্লব দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘শুনানিতে বলেছি, করোনাভাইরাসজনিত পরিস্থিতিতে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভসসহ এ ধরনের সামগ্রীর ব্যবহার বেড়েছে। আগের বর্জ্য তো আছেই, এখন নতুন করে দ্বিগুণেরও বেশি বর্জ্য বাড়ছে। যদি এসব বর্জ্যরে সঠিক ব্যবস্থাপনা না হয় তাহলে মানুষের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ দূষণ বেড়ে যাবে। আদালত মেডিকেলবর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা বাস্তবায়নে সরকারের পদক্ষেপের বিষয়ে আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে বন ও পরিবেশ সচিবকে প্রতিবেদন দিতে বলেছে।’
