ইউএন্ও আসার খবরে পালালেন বর, ধরা কাজী-কনের বাবা

আপডেট : ২০ জুলাই ২০২০, ০১:৩৬ পিএম

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় বাল্য বিয়ে পড়ানোর প্রস্তুতিকালে কাজী আবুল হাশেমকে (৫০) আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় কাজী অফিস থেকে পাঁচটি ভুয়া ভলিউম বহি করা জব্দ হয়। ঘটনার সময় পালিয়ে যান বর ও আত্মীয়স্বজন।

রবিবার রাত ১১টায় হাতীবান্ধা উপজেলা বড়খাতা গ্রামের তহশিলদার পাড়া এলাকার হোসেন আলীর মেয়ের (১৪) বাল্য বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সামিউল আমিন এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক বাল্য বিয়ে ও ভুয়া ভলিয়ম বহি পাওয়ার অপরাধে কাজী আবুল হাসেমকে আটক করেছে। এ সময় বিয়ে বন্ধ করে কনের বাবার ৪ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার রাতে হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সামিউল আমিন জানতে পারেন উপজেলার বড়খাতা গ্রামের তহশিলদারপাড়া এলাকার হোসেন আলীর মেয়ের সাথে একই ইউপির পূর্ব সারডুবী গ্রামের রফিকুল মিয়ার ছেলে সাজু মিয়ার বাল্য বিয়ের আয়োজন করেছেন।

এমন সংবাদের ভিত্তিতে হাতীবান্ধা থানা পুলিশ পুলিশের সহায়তায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় বিয়েতে আসা বর ও কনের আত্মীয়-স্বজনরা পালিয়ে যায়। এ সময় আটক হন কাজী ও কনের বাবা।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচলার সময় উপস্থিতছিলেন বড়খাতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেল, ইউপি সদস্য ও হাতীবান্ধা থানা পুলিশ।

হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক সামিউল আমিন জানান, বাল্যবিবাহ নিবন্ধনের প্রমাণ হিসেবে কাজী অফিস থেকে পাঁচটি ভলিউম বই জব্দ করা হয়েছে। আটক কাজীর বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত