জামালপুরে তৃতীয় দফায় যমুনাসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি বাড়ছে। ফলে চরম দুর্ভোগে রয়েছে পানিবন্দী প্রায় ১০ লাখ মানুষ।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে যমুনার পানি বিপদ সীমার ১০০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। যে সকল এলাকা থেকে পানি নেমে গিয়েছিল পানি বাড়ার ফলে আবারও প্লাবিত হচ্ছে সেসব এলাকা।
এদিকে বকশীগঞ্জে উপজেলার পৌরসভার মেষেরচর ও সীমারপাড় এলাকায় পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে মাহিন মিয়া (১১) ও সোহান মিয়া (৬) নামে দুই শিশুর। এ নিয়ে দুই দফা বন্যায় পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে ২৩ জনের।
প্রায় এক মাস ধরে পানিবন্দী অবস্থায় থাকায় দুর্গতদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ছে পানিবাহিত রোগ। তীব্র হয়েছে খাদ্য সংকট। দুর্গতদের জন্য এখন পর্যন্ত ৫১০ মেট্রিক টন চাল, নগদ ২৩ লাখ টাকা, ৭ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, ২ লাখ টাকার শিশু খাবার ও ২ লাখ টাকার গোখাদ্য বিতরণ করেছে জেলা প্রশাসন।
এদিকে, বৃহস্পতিবার সকার ১০ টার দিকে মেষেরচর এলাকার আকতার হোসেনের ছেলে মাহিন মিয়া বন্ধুদের সঙ্গে বাড়ির পাশে বন্যার পানিতে গোসল করতে গেলে পানিতে ডুবে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল অভিযান চালিয়ে দুপুর আড়াইটার দিকে মাহিনের মরদেহ উদ্ধার করে।
অপরদিকে, দুপুর ১ টার দিকে সীমারপাড় এলাকায় তুফান মিয়ার ছেলে সোহান বাড়ির আঙিনায় খেলার সময় বাড়ির পাশে ডোবায় আটকে থাকা পানিতে ডুবে যায়। পরে স্থানীয়রা তার লাশ উদ্ধার করে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আ.স.ম. জামশেদ খোন্দকার পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
