এবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী সার্জন পদমর্যাদার ২৮ জন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। গত রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. বেলাল হোসেন স্বাক্ষরিত ওই নোটিসে বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের ২৮ জুলাই (মঙ্গলবার) নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে বলা হয়।
নোটিসে বলা হয়, ওই কর্মকর্তাদের আটজন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে, ১৯ জন বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারের গ্রিড হাসপাতালে এবং একজন বরগুনা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। এখন তাদের আটজনকে বিমানবন্দর স্বাস্থ্য অফিসে এবং অন্যদের ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বেলাল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ৩৯তম বিসিএসে নিয়োগ পাওয়া এই চিকিৎসকদের নিয়মিত বদলির অংশ হিসেবে নতুন জায়গায় পদায়ন করা হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের কভিড ইউনিটে চিকিৎসকের স্বল্পতা ছিল। আর বিমানবন্দর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এখন কাজের চাপ বেড়েছে। এ কারণে সেখানে আটজনকে দেওয়া হয়েছে।
জেকেজি হেলথ কেয়ার ও রিজেন্ট হাসপাতালের ভুয়া করোনা সনদ নিয়ে নানা অভিযোগ ওঠার পরেই দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। নানা সমালোচনার মুখে ২১ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন। তার পদত্যাগপত্র গৃহীত হওয়ার পর ২৩ জুলাই নতুন ডিজি হিসেবে নিয়োগ পান ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ (এবিএম) খুরশীদ আলম। এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার নতুন পরিচালক আমিনুল হাসানকে ওএসডি করে তার জায়গায় ডা. ফরিদ হোসেন মিয়াকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
