শাহজাদপুরের কৈজুরি ইউনিয়নে গত তিন দিন ধরে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হচ্ছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে গত সোমবার সকাল থেকে এ চাল বিতরণ শুরু হয়ে গতকাল বুধবার দুপুরে তা শেষ হয়।
এতে কৈজুরি ইউনিয়নের হাজার হাজার নারী, পুরুষ ও শিশু নতুন করে করোনা ঝুঁকিতে পড়েছে। ঈদের পরে এ ইউনিয়নের গ্রামগুলোতে করোনাভাইরাস মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।
কৈজুরি গ্রামের শহীদ প্রামাণিক, পাথালিয়াপাড়া গ্রামের সজীব হোসেন, চরকৈজুরি গ্রামের মমিন খান, গুপিয়াখালি গ্রামের সিদ্দিক বলেন, গত ৩ দিনে ত্রাণগ্রহীতাদের মধ্যে ২-১ জন ছাড়া অধিকাংশ ব্যক্তি মাস্ক ব্যবহার করেনি। এ ছাড়া সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে একজন আরেকজনের গা ঘেঁষাঘেঁষি করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে ভিড় জমিয়ে ত্রাণ নিতে দেখা গেছে। এ সময় সেখানে কৈজুরি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্যরা ও ট্যাগ অফিসার উপস্থিত থাকলেও তারা এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেননি।
কৈজুরি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রায় ৮ হাজার ২২৯ জন লোকের সমাগম হয়েছে। বারবার বলার পরও কেউ এ বিষয়ে কথা শোনেনি।
এ ছাড়া উপজেলার গাড়াদহ, নরিনা, বেলতৈল, জালালপুরসহ অধিকাংশ ইউনিয়ন পরিষদেও ত্রাণ বিতরণে একই চিত্র দেখা গেছে।
