আগস্টের ভেতর রাশিয়ার ভ্যাকসিন আনার খবরে নড়েচড়ে বসেছে গোটা বিশ্ব। দেশটির শীর্ষ পর্যায় থেকে আসা এই ঘোষণার কথা শুনে গবেষকেরা বলছেন এটি ‘সম্ভব’।
রাশিয়ার রাজধানীতে সরকারি অর্থায়নে ভ্যাকসিনটি তৈরির চেষ্টায় আছে গামেলিয়া রিসার্চ ইন্সটিটিউট।
হিউম্যান ভাইরোলজি পাঠ্যপুস্তকের সহলেখক প্রফেসর জন মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম দ্য ন্যাশনালকে বলেছেন, ‘রাশিয়ার ভ্যাকসিনের খবরে আমি মুগ্ধ কিন্তু অবাক নই।’
ব্রিটেনের এই বিশেষজ্ঞ বলছেন, ‘এ কথা বলছে গামেলিয়া রিসার্চ ইন্সটিটিউট। এটি বেশ বড় গবেষণা প্রতিষ্ঠান। তারা নিশ্চয়ই আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করবে, যাতে রাশিয়াসহ অন্য দেশে ক্রস-লাইসেন্সড পায়।’
যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব রিডিংয়ের ভাইরোলজি বিভাগের আরেক প্রফেসর ইয়ান জোন্সও একই কথা বলছেন, ‘রাশিয়ার ভ্যাকসিন সুপরিচিত প্রযুক্তিতে তৈরি হচ্ছে। তার মানে এতে ঝুঁকি কম থাকবে। আমি মনে করি এটা নিরাপদ হবে। ব্যর্থ হওয়ার কারণ দেখি না।’
রাশিয়ান ডিরেক্ট ইনভেস্ট ফান্ডের পরিচালক কিরিল দিমিত্রিভ দাবি করেছেন, করোনা প্রতিরোধী প্রথম ভ্যাকসিন তারাই আনবেন। দিমিত্রিভ নিজেও এই ভ্যাকসিনটি নিয়েছেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ২৫টি ভ্যাকসিন ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পর্যায়ে রয়েছে। ১৩৯টি আছে প্রি-ক্লিনিক্যাল পর্যায়ে।
