কালো রাজহাঁস শুধু সমস্যা নয় সুবিধাও আনে

আপডেট : ১২ আগস্ট ২০২০, ০৭:০২ এএম

লেবানিজ-আমেরিকান পণ্ডিত প্রবন্ধকার নাসিম নিকলাস তালেব তার অনেক বইয়ের মধ্যে ২০০৭ সালে ‘The Black Swan’ নামে যে বইটি প্রকাশ করেন, সানডে টাইমসের মতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর লেখা ১২টি সবচেয়ে প্রভাবশালী বইয়ের মধ্যে এটি অন্যতম। আগে মনে করা হতো যে, সব রাজহাঁসই সাদা; পৃথিবীতে ওই প্রজাতির কোনো কালো প্রাণী নেই। কিন্তু ১৬৯৭ সালে এক অভিযাত্রায় অস্ট্রেলিয়া গিয়ে ক্যাপ্টেন Willem de Vlamingh যখন প্রথম কালো রাজহাঁস দেখতে পান, তখন থেকে এই প্রাণীটি হয়ে উঠেছে অকল্পনীয় ঘটনার প্রতীক। ২০০২ সালে এক সংবাদ সম্মেলনে সাবেক মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব Donald Ramsfield বলেছিলেন, কিছু জিনিস আছে যেগুলো আমরা জানি, কিছু বিষয় আছে যেগুলো আমরা পুরোপুরি জানি না, অন্যরা হয়তো জানে বা আমরা চেষ্টা করে সেগুলো সম্পর্কে পরে আরও জানতে পারব। এর বাইরে আরেক শ্রেণির বিষয় আছে যেগুলো আদৌ আছে কী নেই, সেটাও আমরা জানি না। এই শেষোক্ত শ্রেণির অজ্ঞাত অজানা বিষয়ই কালো রাজহাঁস, যা আগে থেকে নয়, শুধু ঘটনা সংঘটনের পরই ব্যাখ্যা করা যায়।

কালো রাজহাঁস এমনি এক অভাবনীয় ঘটনা, যা মানুষের জীবন, তার পরিপার্শ্ব, কর্ম, অর্থনীতি, মনস্তত্ত্ব সবকিছুকে ওলটপালট করে দেয়। এই মহাবিশ্ব কত বড়, কতগুলো ছায়াপথ এতে আছে, ভিন গ্রহে জীবন আছে কি না, তা এখনো পুরোপুরি আমাদের অজানা। চেষ্টা করে হয়তো ভবিষ্যতে এসবের অনেক কিছু জানা সম্ভব হবে। কিন্তু যখন ২০০৪ সালে হার্ভার্ডে Mark Zuckerberg-এর হাত দিয়ে ফেইসবুকের জন্ম হয়, তখন কি কেউ ঘুণাক্ষরেও চিন্তা করতে পেরেছিল যে, এই সোশ্যাল মিডিয়া এক দশকের মধ্যে বিশ্বের মানুষের এক বড় অংশকে বাতিকগ্রস্ত করে ফেলবে? অনুন্নত ও স্বল্পোন্নত দেশের কথা বাদই দিলাম; শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপসহ ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউশনগুলোতে (Bretton Woods Institutions) কর্মরত হাজার হাজার অর্থনীতি শাস্ত্র বিশারদ নিরন্তর গবেষণা চালিয়ে মডেল তৈরি করে অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি প্রাক্কলন করে যাচ্ছেন। কিন্তু তাদের কেউই ২০০৭-০৮ সালের বিশ্বব্যাপী খাদ্যশস্যের মূল্যবৃদ্ধির উল্লম্ফন প্রক্ষেপণ করতে পারেননি; করেছেন সংঘটনের অব্যবহিত পরে। ফলে বিশ্বের বহু প্রান্তিক মানুষ হঠাৎ দারিদ্র্যসীমার মধ্যে পুনঃপ্রত্যাবর্তন করতে বাধ্য হয়। এবারও অদৃশ্য কভিড-১৯ যেভাবে বর্তমান মানবসভ্যতাকে একযোগে সংকটে ফেলে দিয়েছে, তা কি কেউ আগে ঘুণাক্ষরেও ঠাহর করতে পেরেছিলেন? যদিও একেবারে পূর্বাভাসের বাইরে ছিল না বলে অনেকে এই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অণুজীবকে নাসিম তালেবের ‘কালো রাজহাঁস’ বলতে নারাজ। এই কালো রাজহাঁস এখন এত গুরুত্বপূর্ণ কেন? কারণ, বর্তমানে এর ঘন ঘন আবির্ভাবের প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে এবং এর ফলাফলও হচ্ছে সুদূরপ্রসারী। Winner takes all এই নীতি শুধু হাল আমলে নয়, প্রস্তর যুগ, তাম্র যুগ, পশুপালন যুগ কমবেশি সব কালেই ছিল, কিন্তু এখন বাজির মূল্য আগের চেয়ে অনেক অনেক বেশি; প্রস্তর যুগে হয়তো একজন একটা মহিষ মেরেছে, এটা তার সম্পত্তি হলেও একা ভোগ করার সুযোগ ছিল না, সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা ছিল না, মাংস পচে অখাদ্য হয়ে যেত; অন্যরা তাই ভাগ পেত। আর এখন বড় কোনো সাফল্য অর্জন করতে পারলে এক লাফে রাজা। আসলে কভিড-১৯ আজকে যে বৈশ্বিক সংকট তৈরি করেছে, মানুষের চরম স্বার্থপরতাই তার জন্য দায়ী। বিবর্তনবাদীদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী মানুষ তার বুদ্ধি ও কাল্পনিক সত্তাকে ব্যবহার করে নৈর্ব্যক্তিক বন্ধনে সংঘবদ্ধ হওয়ার পারঙ্গমতা অর্জন করায় অন্যান্য প্রাণীর চেয়ে ওপরে উঠে যায়; অর্জন করে শ্রেষ্ঠত্ব। শ্রেষ্ঠ হওয়ার পর অনুত্তমদের সুরক্ষা দেওয়ার দায়ও তার ওপরই বর্তায়। এটা আমার কথা নয়, কথাটা মহাত্মা গান্ধীর। কিন্তু মানুষ সেটা না করে সব সময়ই ক্ষীণদৃষ্টি দিয়ে নিজের একপেশে স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করেছে। আর এটা করতে গিয়ে প্রকৃতি, প্রতিবেশ ও অধমদের ক্ষতি করেছে। কিন্তু সে যে তাদেরই অংশ, সবার নিরুদ্বিগ্ন সহাবস্থানের মধ্যেই যে সবার অস্তিত্ব ও কল্যাণ নিহিত, সেটা সে ভুলে গিয়েছে। আবার নিজ প্রজাতির মধ্যে আপন আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় ধ্বংসাত্মক মারণাস্ত্র তৈরির প্রতিযোগিতায় সে লিপ্ত হয়েছে। আমজনতার সুরক্ষা তার এজেন্ডার সর্বশেষ বিষয়; পরিবেশ-প্রতিবেশ সেখানে অনেকাংশেই অনুপস্থিত। জীবন রক্ষাকারী দাওয়াই এবং প্রযুক্তি উদ্ভাবনে গবেষণায় বিনিয়োগ, অবলেহ ও মেডিকেল সার্ভিসের লভ্যতার পাশাপাশি মারণাস্ত্রের ব্যয় ও ভাণ্ডার লক্ষ করলেই তা সহজেই পরিষ্কার হয়ে যায়। মানুষের স্বার্থান্ধ ভুল পথে পদচারণাই এসব কালো রাজহাঁসের ঘন ঘন আনাগোনা বাড়িয়ে দিয়েছে। ম্যালথাস তার জনসংখ্যা তত্ত্বে প্রতীকী দৃষ্টিতে এ কথাই বলে গিয়েছেন যে, মানুষ যদি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তবে ভারসাম্য তৈরির প্রয়াসে প্রকৃতিই তাকে নিয়ন্ত্রণ করবে। আর প্রাকৃতিক নিয়ন্ত্রণের কাজটি অধিকাংশ সময় সুখকর হবে না; হবে নিষ্ঠুর ও নির্মম।

প্রতিটি সমস্যার মধ্যেই সুযোগ উঁকিঝুঁকি মারে ‘Every cloud has a silver lining’ এ কথা আমরা ছেলেবেলায় আত্মস্থ করেছি। আশা করেছিলাম যে, কভিড-১৯-এর এই দুঃসময়ে সৃজনশীলতা দিয়ে আমরা অনেক কিছু উদ্ভাবন করে পরিস্থিতির মোকাবিলা করব, করব নতুন নতুন দিগন্তের উন্মোচন। কিছু কিছু উদ্ভাবনী কাজ শুরুও হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখতে পেলাম যে, সাহেদ-সাবরিনারা এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে দেশ-দশকে নরকের দিকে ঠেলে দিয়ে নিজেদের ভাগ্যোন্নয়নের মহোৎসব শুরু করে দিয়েছে। অবশ্য দুর্যোগে দুর্নীতি আমাদের সমাজে সব সময়ই ছিল। আবুল মনসুর আহমদ তার রম্য ছোট গল্প ‘ফুড কনফারেন্সে’ এ প্রসঙ্গের অবতারণা করতে লিখেছেন, এই গোষ্ঠীর কাছে বন্যা-জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়, দুর্ভিক্ষ সমস্যা তো নয়ই, বরং সম্পদ; এসব দুর্যোগের মধ্যেই না ত্রাণ বিতরণ করতে তারা দুটো পয়সার মুখ দেখেন।

কভিড-১৯ আসার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বড় ধসের আশঙ্কা করা হয়েছিল; বাতিল হয়ে যেতে শুরু করেছিল বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ক্রয়াদেশ। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ প্রধানত মৌল পণ্য উৎপাদন করায় তার ক্রয়াদেশ বড় একটা কমবে না; অনেক ক্ষেত্রে বরং বাড়তে পারে। প্রবাসীদের অর্থ প্রেরণের ক্ষেত্রেও অনুরূপ আশঙ্কা করা হয়েছিল। কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে, এই বছর প্রবাসী-প্রবাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে। বিশ্বে করোনা-প্রভাবিত মন্দায় জ্বালানির মূল্য কমে গিয়েছে। এর সদ্ব্যবহার করে আমরা আমাদের রপ্তানিযোগ্য পণ্যের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়াতে পারি। কভিডের আগমনে বিশ্বব্যাপী সুরক্ষাসামগ্রী ও সরঞ্জামের যে নতুন বাজার তৈরি হয়েছে, স্থিতিস্থাপক জাতি হিসেবে সে বাজারের একটা অংশ আমরা মুষ্টিবদ্ধ করতে পারি।

করোনাকালে আমাদের সমাজে ডিজিটালাইজেশনের প্রাসঙ্গিকতা আরও বেড়ে গেছে। বেসরকারি খাত এই আধুনিক ব্যবস্থায় সেবা দানে এগিয়ে আছে; কিন্তু সরকারি খাত এখনো অনেক পিছিয়ে। তবে বাধ্য হয়ে এখন সেটাও হাঁটি হাঁটি পা পা করে এগোচ্ছে; অনেক সিদ্ধান্ত ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে হচ্ছে। ভার্চুয়াল কোর্টও চালু হয়ে গেছে। অনেক প্রতিষ্ঠান অনলাইন শিক্ষাকার্যক্রম চালু করেছে। টেলিমেডিসিন এ সময় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। অনলাইন শপিং, ই-কমার্স ও ই-পেমেন্ট এ সময়ে আমাদের বেশি প্রয়োজন মেটাচ্ছে। এগুলো সবই আমাদের এই প্রযুক্তিগতভাবে পিছিয়ে থাকা সমাজকে সামনে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। আগে আমরা বাসায় কোনো সময় দিতাম না, সারা দিন অফিস-আদালত, ব্যবসা-বাণিজ্য, ক্লাব, পার্টি, ডিনার, থিয়েটার এসব নিয়ে ব্যস্ত থাকতাম; এটা সন্তানদের সামাজিকীকরণ ও ভাবোদ্দীপক উন্নয়নে বিরূপ প্রভাব ফেলত। এখন বাধ্য হয়ে বাসায় পর্যাপ্ত সময় ব্যয় করতে হচ্ছে, একত্রে ছবি দেখা হচ্ছে, খাবার খাওয়া খাচ্ছে, শরীর চর্চা করতে হচ্ছে; পাওয়া যাচ্ছে সৃজনশীল চিন্তাভাবনার পর্যাপ্ত সময়। এগুলো সবই শরীর, মন, বুদ্ধিবৃত্তি ও আবেগ উন্নয়নে টনিকের মতো কাজ করে।

করোনা যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি পরিষ্কার করে দিয়েছে, সেটি হলো গবেষণার অগ্রাধিকার নির্বাচন। বিজ্ঞানের উত্তরোত্তর অগ্রগতি হয় গবেষণার মাধ্যমে। ১৯৬৯ সালে মানুষ প্রথম চাঁদে পা রাখে। এরপর মহাকাশ অভিযাত্রায় ভাটা পড়ে; পরবর্তী ৫০ বছরে উল্লেখযোগ্য তেমন অগ্রগতি হয়নি। এর বিপরীতে ওই সময়েই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগে খোঁড়াতে খোঁড়াতে যে ইন্টারনেটের সূচনা ঘটে, তার আজ অবস্থান কোথায়? এ ক্ষেত্রে উন্নতি দেখলে চমকে যেতে হয়। টেক-জগতে অধিক মুনাফা ঘরে তোলার প্রচেষ্টায় কার আগে কে নতুন প্রোডাক্ট নিয়ে বাজারে হাজির হবেন, তার জন্য টেক-জায়ান্টরা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ শুরু করেন। এতেই এই উন্নতি। আগে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এবং কিছু রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গবেষণায় বিনিয়োগ করত। এখন গবেষণার আধার আর বিনিয়োগের পরিমাণে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে; বর্তমানে বহুজাতিক ব্যবসায়ী কোম্পানিগুলো প্রচুর অর্থলগ্নি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেষ্ঠ মেধাবীদের তাদের ‘আর অ্যান্ড ডি’ (Research and Development) শাখায় নিয়োগ দেয়। ফলে কোম্পানির ব্যবসায়িক স্বার্থে গবেষণা পরিচালিত হয়। এজন্য এক দল বিজ্ঞানী পাম অয়েলের সুবিধা নিয়ে স্লাইড শো করেন, আরেক দল করেন সয়াবিনের জয়গান। কিন্তু মুনাফার সম্ভাবনা কম, সময়ের প্রয়োজন অধিক এবং নৈতিকতা-সংক্রান্ত ঝুঁকি বেশি থাকায় জীববিজ্ঞানের গবেষণায় বিনিয়োগ হয়েছে কম। ফলে এই ক্ষেত্রে কাক্সিক্ষত সক্ষমতা আসেনি। কভিড-১৯ এসে এই শূন্যতাটি ধরিয়ে দিয়েছে। আজ বিশ্বের শতাধিক প্রতিষ্ঠান এই অদৃশ্য অণুজীবের প্রতিষেধক ও প্রতিরোধক আবিষ্কারে অক্লান্ত শ্রম দিয়ে যাচ্ছে। এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশও পিছিয়ে নেই; এ দেশেরই এক বায়ো-টেক প্রতিষ্ঠান কভিড-১৯-এর ভ্যাকসিন আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছে এবং তা আমাদের বিজয়ের মাসে বাজারে আনার কথা বলেছে। এটা অবশ্যই আমাদের গর্বের একটি বিষয় হয়ে উঠতে পারে। দেশি প্রতিষ্ঠানের এই অসাধারণ উদ্যোগকে সবারই সক্রিয়ভাবে সমর্থন ও সহযোগিতা করা উচিত। তবে মনে রাখা প্রয়োজন, ÔPrevention is better than cure প্রকৃতি-পরিবেশ-প্রতিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করেই আমাদের উন্নয়ন করতে হবে। কিন্তু আমরা সব সময় দ্রুত দৃশ্যমান উন্নতি দেখতে অভ্যস্ত হওয়ায় প্রতিরোধের চেয়ে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দিই। তাতে পরিণামে খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি হয়ে যায়; প্রকৃত উন্নতি মরীচিকায় রূপ নেয়। কভিড-১৯ এ বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে। এ মুহূর্তে করোনা আমাদের যে ফারাকগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করেছে, দরকার সেগুলো পূরণ করা এবং যে সুযোগগুলো সামনে এনেছে, সেগুলো কাজে লাগানো। এই ধারায় মধ্যম ও দীর্ঘ মেয়াদে আরও অনেক কাজ করতে হবে। তাতে আমাদের এগোনোর পথ যতটা সম্ভব কম কণ্টকিত হবে; তাতে আমরা পথে বেশি সাদা রাজহাঁস ও কম কালো রাজহংসের সাক্ষাৎ পাব।

লেখক
খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক
[email protected]

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত