আবার রিমান্ডে এমডিসহ রিজেন্ট হাসপাতালের ৭ জন

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২০, ০৭:৫৮ পিএম

রিজেন্ট হাসপাতালের আটজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। করোনাভাইরাসের পরীক্ষা না করে প্রতিবেদন তৈরি ও রোগী থেকে বিপুল অর্থ আদায়সহ নানা অভিযোগের মামলায় তারা গ্রেপ্তার রয়েছেন। 

তারা হলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মিজানুর রহমান, রিজেন্ট হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আহসান হাবীব হাসান, হেলথ টেকনিশিয়ান আহসান হাবীব, হেলথ টেকনোলজিস্ট হাতিম আলী, রিজেন্ট গ্রুপের প্রকল্প প্রশাসক রাকিবুল হাসান ওরফে সুমন, মানবসম্পদ কর্মকর্তা অমিত বনিক, গাড়িচালক আবদুস সালাম ও হাসপাতালের কর্মী আবদুর রশিদ খান ওরফে জুয়েল।

অন্য মামলায় কাগারে থাকা মিজানুরকে রোববার নতুন করে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আর বাকিদের দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডের আদেশ দেন ঢাকার মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়া।

রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক প্রতারক মোহাম্মদ সাহেদ এ মামলার আসামি হলেও অন্য মামলায় রিমান্ডে থাকায় এদিন তার রিমান্ড চাওয়া হয়নি বলে আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হেমায়েত উদ্দিন খান হীরণ জানান।

এ ছাড়া কামাল হোসেন নামের এক আসামি অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তার বিরুদ্ধে আবেদনের শুনানি হয়নি। 

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে প্রত্যেকের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

২৪ জুলাই রাতে গোপালগঞ্জের একটি বাসা থেকে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন আদালত তার ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। রিমান্ড শেষে ৫ আগস্ট মিজানুর রহমান দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। ৮ জুলাই সাত আসামির ৫ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ১৪ জুলাই রিমান্ড শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

গত ৬ জুলাই রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। অভিযানে ভুয়া করোনা টেস্টের রিপোর্ট, করোনা চিকিৎসার নামে রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়সহ নানা অনিয়ম উঠে আসে। ৭ জুলাই রাতে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করে র‌্যাব। মামলায় ১৭ জনকে আসামি করা হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত