স্বাস্থ্য খাতে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সাবেক সচিব ও বর্তমানে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আসাদুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল সোমবার দুদকের উচ্চ পর্যায়ের একটি দল পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে তার দপ্তরে গিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। দুদকের একাধিক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তারা জানান, রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তি এবং করোনাকালে এন-৯৫ মাস্ক ও পিপিইসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী কেনাকাটার বিষয়ে আসাদুল ইসলামের কাছে জানতে চেয়েছে দুদকের অনুসন্ধান দল।
জানা যায়, গতকাল সকাল ১০টায় পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে আসাদুল ইসলামের দপ্তরে যায় দুদকের অনুসন্ধান দল। এই দলে ছিলেন কমিশনের বিশেষ অনুসন্ধান অনুবিভাগের মহাপরিচালক সায়ীদ মাহবুব খান, পরিচালক মীর মুহাম্মদ জয়নুল আবেদীন শিবলী, সৈয়দ ইকবাল হোসেন, শেখ ফানাফিল্যা এবং রিজেন্ট, জেকেজি ও মাস্ক কেলেঙ্কারির অভিযোগ অনুসন্ধান দলের বেশ কয়েকজন সদস্য।
এর আগে গত বুধ ও বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ এবং অধিদপ্তরের ঊর্ধতন কয়েকজন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদকের তদন্ত দল। করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় স্বাস্থ্য খাতে বিভিন্ন কেনাকাটা এবং কডিভ ডেডিকেটেড হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের থাকা-খাওয়াসহ বিভিন্ন কাজে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। দুদক বিষয়গুলো অনুসন্ধান করছে। এরই অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে মেসার্স জেএমআই হসপিটাল রিক্যুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রাজ্জাক, তমা কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডের সমন্বয়কারী (মেডিকেল টিম) মো. মতিউর রহমান, এল্যান করপোরেশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান/ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিনুল ইসলাম আমিন এবং মেডিটেক ইমেজিং লিমিটেডের পরিচালক মো. হুমায়ুন কবিরসহ কয়েকজনকে দুদকে তলব করা হয়েছে।
