মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর থেকে ডিজিটাল বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ই-ভ্যালি’র 'তিন কর্মীকে' প্রায় ৩৯ লাখ টাকাসহ আটক করেছে বলে জানিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
তারা জানায়, সোমবার দুপুরে উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের পারিল বাজারে প্রতিষ্ঠানটির স্থানীয় অফিস থেকে তাদের আটক করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রুনা লায়লা।
তারা জানয়, এ সময় আটক করা হয় ই-ভ্যালির সিংগাইর উপজেলা ব্যবস্থাপক বিপ্লব হোসেন (২৪), সহকারী ব্যবস্থাপক রবিদুল ইসলাম (২৭) ও অফিস সহকারী মো. জামাল হোসেনকে (৩৮)।
সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুনা লায়লা বলেন, উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের পারিল নোয়াদ্দা গ্রামের ফজল হকের ছেলে কামাল হোসেন ও তার স্ত্রী হেনা আক্তার স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন একটি দ্বিতল ভবনে ডিজিটাল বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ই-ভ্যালির শাখা অফিস ই-ভ্যালি ই-কমার্স নামে একটি অফিস খুলে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। উপজেলার মানুষদের লোভনীয় অফার দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে সহজ-সরল লোকজনের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল।
রুনা লায়লা জানান, এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে এমন অভিযোগ পেয়ে সোমবার দুপুরে ওই অফিসে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের খবর পেয়ে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক হেনা আক্তার ও তার স্বামী কামাল হোসেন পালিয়ে গেলেও তাদের ৩ কর্মীকে আটক করা হয়। এ সময় ৩৮ লাখ ৮৯ হাজার ৩০০ টাকা, ৫টি মুঠোফোন সেট, টাকা আদায়ের রসিদ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জব্দ করা হয়।
সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুনা লায়লা আরো বলেন, আটকদের থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শক্রমে আটক ব্যক্তিদের নামে মানিলন্ডারিং আইনে মামলা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে এ বিষয়ে ই-ভ্যালির জনসংযোগ কর্মকর্তা আহসানুল হক টুটুল বলেন, ঢাকার বাইরে কোথাও ই-ভ্যালির কোনো অফিস নেই বা কোনো কর্মী নেই।
