রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাসরিন ইসলাম স্থানীয় চার ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেছেন। গত সোমবার ওই হামলার পর থানায় অভিযোগ দিলেও তা এখনো মামলা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি বলে অভিযোগ নাসরিনের। গতকাল শনিবার রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এসব কথা জানান এই জনপ্রতিনিধি।
লিখিত বক্তব্যে নাসরিন ইসলাম বলেন, ‘জেলা ছাত্রলীগের নেতা মেজবাহ উদ্দিন, হাবিবুর রহমান বাপ্পী, কায়সার আহম্মেদ ও ইমরুল উদ্দিনসহ ১০-১৫ জন মিলে আমাকে দরজার ভেতরে থেকে ছিটকিনি দিয়ে ছুরি ও রড দিয়ে আঘাত করে। এমনকি আমার নাবালিকা মেয়েকে নির্যাতন করে কাপড়চোপড় ছিঁড়ে ফেলে।’
তিনি আরও বলেন, ‘উপজেলা পরিষদের টিউবওয়েল বসানো নিয়ে বাসায় এক সভা চলাকালীন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবদুল জব্বার সুজনের ছত্রছায়ায় লালিত ছাত্রলীগের এই চার নেতা বাসায় হামলা করে। এ সময় বাসার ভেতর ভাঙচুরসহ আমাকে শ্লীলতাহানিরও চেষ্টা চালায়। এদের মধ্যে মেজবাহ উদ্দিন আমার বিল্ডিংয়ে ভাড়া থাকে। দীর্ঘদিন ধরে সে ভাড়া দেয় না। ভাড়ার জন্য খুঁজলে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এসব বিষয়ে কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ করলেও এখনো মামলা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি অভিযোগটি।’
হামলাকারী ছাত্রলীগ নেতাদের কারণে আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে উল্লেখ করে নাসরিন বলেন, ‘নিজেই আওয়ামী লীগের রাজনীতি করি। আওয়ামী লীগের সমর্থনে ভাইস চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হয়েছি। কিন্তু ছাত্রলীগের এসব কতিপয় সন্ত্রাসীর কারণে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।’
ছাত্রলীগ কর্মীদের হামলার পর বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও জানান এই আওয়ামী লীগ নেত্রী।
