আ.লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষ

পাকুন্দিয়ায় এখনো উত্তেজনা, পুলিশ বলছে নিয়ন্ত্রণে

আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:২৪ এএম

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা পরিষদের অপসারণকৃত চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রফিকুল ইসলাম রেনুর কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে উপজেলা শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনায় এখনো দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে পুলিশ বলছে, পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।স্থানীয়রা জানান, গত রবিবার সকালে আওয়ামী লীগ নেতা রেনুর কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে শ্রমিক লীগ নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় গতকাল সোমবারও দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে। আতঙ্কে উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে দোকানপাট বন্ধ রেখেছেন দোকানিরা। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করায় কোনো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন পাকুন্দিয়া থানার ওসি মো. মফিজুর রহমান।

সংশ্লিষ্টরা জানান, কিছুদিন আগে উপজেলা পরিষদের সদস্যদের অনাস্থা প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে রেনুকে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে চেয়ারম্যান পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে তাকে স্বপদে বহালের নির্দেশ দেওয়া হলে সরকারপক্ষ এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে। আপিলের এখনো রায় হয়নি। এদিকে ফেইসবুক লাইভে এমপি নূর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে কথা বলায় তার পিএস আমজাদ হোসেন লিটন বাদী হয়ে রেনুর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করেন। মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে রবিবার ঢাকা থেকে পাকুন্দিয়ায় আসেন রেনু। সকালে কয়েকশ নেতাকর্মী ও সমর্থক থানাঘাট এলাকায় তাকে বরণ করতে যান। মিছিল নিয়ে ফেরার পথে এমপির সমথর্করা তাতে বাধা দেন। পরে উভয়পক্ষের লোকজন রামদা, লাঠিসোটাসহ দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে উপজেলা পরিষদের সামনে সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

ওসি বলেন, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সংঘর্ষের সময় গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত