মহামারী থেকে মুক্তির প্রার্থনায় মহালয়া উদযাপিত

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:৫৯ এএম

করোনাভাইরাসজনিত মহামারী থেকে মুক্তির প্রার্থনায় গতকাল বৃহস্পতিবার উদযাপিত হলো শুভ মহালয়া। মহালয়ার মাধ্যমে দেবী পক্ষ ও শারদীয় দুর্গোৎসবের পুণ্যলগ্নের শুরু হলো। হিন্দু শাস্ত্রমতে চন্ডিপাঠের মাধ্যমে দেবী দুর্গার আবাহনই মহালয়া নামে পরিচিত। মহালয়া শব্দের আক্ষরিক অর্থ ‘আনন্দ নিকেতন’। হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার আগমনী সুর বেজে উঠেছে গতকাল থেকে। হিন্দু শাস্ত্র ও বিশুদ্ধ পঞ্জিকা অনুযায়ী মহালয়ার পর থেকেই  শুরু হয় দুর্গা পূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা। এবার করোনাভাইরাসজনিত সৃষ্ট রোগ কভিড-১৯ সংক্রমণ রোধের মধ্যে কিছুটা অনাড়ম্ভরভাবে অনুষ্ঠিত হবে দুর্গাপূজা। আগামী ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে। এরপর ২৩ অক্টোবর শুক্রবার মহাসপ্তমী, ২৪ অক্টোবর শনিবার মহাঅষ্টমী, ২৫ অক্টোবর রবিবার মহানবমী এবং ২৬ অক্টোবর সোমবার বিজয়া দশমীর দিনে প্রতিমা নিরঞ্জনের মাধ্যমে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতার সমাপ্তি হবে।  

এদিকে গতকাল ভোর থেকে রাজধানীসহ সারা দেশের স্থায়ী ও অস্থায়ী পূজামন্ডপগুলোতে চন্ডিপাঠ ও পূজা-অর্চনার মাধ্যমে দুর্গা দেবীকে আহ্বান করা হয়। এ উপলক্ষে জাতীয় ঢাকেশ^রী মন্দিরে  ভোর থেকে ঘট স্থাপন, চন্ডিপাঠ, পূজা-অর্চনা, আরাধনা ও মহামারী থেকে মুক্তিলাভের প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। সব অনুষ্ঠান হয় সীমিত আকারে এবং সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে। ভোরে  ঢাকেশ্বরী মন্দিরে মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে মহালয়া অনুষ্ঠানের সূচনা করেন বাংলাদেশে ভারতের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত রীভা গাঙ্গুলি দাস। এরপর ঢাকের বোলে চন্ডিপাঠে শুরু হয় মহালয়ার পর্ব।

কভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষিতে আসন্ন দুর্গাপূজা উদযাপনে আলোকসজ্জা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আরতির আয়োজন থেকে বিরত থাকার নির্দেশনার পাশাপাশি পূজা-অর্চনার সব কার্যক্রম স্বাস্থ্যবিধি মেনে পালনসহ প্রতিমা বিসর্জনে শোভাযাত্রা করা যাবে না বলে গত ২৬ আগস্ট ২৬টি নির্দেশনার কথা জানান পরিষদের নেতারা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত