মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শেখ হাসিনাকে আলোকবর্তিকা ধরে নিয়ে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে হবে। গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য সাবেক মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ও অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন জনতার প্রত্যাশা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
শেখ হাসিনা ঐক্যের প্রতীক উল্লেখ করে প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘কণ্টকাকীর্ণ পথে তিনিই আমাদের পাথেয়। শেখ হাসিনা ফিরে না এলে ইতিহাসের স্বপ্নভঙ্গ হতো। পঁচাত্তরের পর একাশিতে শেখ হাসিনা ফিরে না এলে ৩০ লাখ শহীদের আকাক্সক্ষা ধ্বংস হতো, সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশের সাজানো নৈবেদ্য বাস্তবায়ন হতো না।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইতিহাসের ক্রমবিবর্তনের আকাক্সক্ষার প্রতিভূ ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, দৃঢ়তার সঙ্গে থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, মুক্তিযুদ্ধেও আদর্শে গড়া বাংলাদেশকে ধ্বংসের জন্যই বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিল। এ ক্রান্তিকাল এখনো যায়নি। এরকম ক্রান্তিকাল আমাদের প্রতিনিয়ত অতিক্রম করতে হয়।’
সাহারা খাতুন এবং মোহাম্মদ নাসিমের মতো নেতারাই আওয়ামী লীগের মূল শক্তি উল্লেখ করে শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘ক্রান্তিকালে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার মতো নেতাকর্মী খুব বেশি থাকে না। ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীরাই আওয়ামী লীগকে টিকিয়ে রেখেছে। কারণ তারা বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রে এমনভাবে মুগ্ধ যে সে ঐন্দ্রজালিক সম্মোহিত শক্তি থেকে তাদের কেউ বের করে আনতে পারে না। সে জায়গায় ছিলেন সাহারা খাতুন এবং মোহাম্মদ নাসিম।’
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি এমএ করিমের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি মো. নুরুল আমিন রুহুল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দিলীপ কুমার রায় এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব সফিকুল বাহার মজুমদার টিপু।
