রীভা গাঙ্গুলির সঙ্গে সাক্ষাৎ

তিস্তার পানি নিয়ে আলোচনা ইতিবাচক হয়েছে : কাদের

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:৪৮ এএম

তিস্তার পানি নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানিবণ্টনের বিষয়টিও আলোচনার মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আলোচনায় ইতিমধ্যে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। দুই দেশের সরকার ও পিপল টু পিপল যোগাযোগ বাড়াতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অত্যন্ত উদার ও ভবিষ্যৎমুখী।’

গতকাল সোমবার সচিবালয়ের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার রীভা দাশ গাঙ্গুলির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও পারস্পরিক বোঝাপড়া ভালো হলে দুই দেশেরই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহজতর হয়। এই বাস্তবতায় ইতিমধ্যে সীমান্ত সমস্যা, ছিটমহল বিনিময়ের মতো দীর্ঘকালীন সমস্যারও সমাধান হয়েছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ২১ বছর দুই দেশের মাঝে যে কৃত্রিম দেয়াল ছিল, তা এখন আর নেই। দুই দেশের সম্পর্ক নতুন এক উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে দুই প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক উদ্যোগে।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, দেশের সড়ক যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে ভারতীয় ঋণ কর্মসূচির আওতায় বেশ কিছু প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এসব প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। হাইকমিশনার তার কার্যকালে গৃহীত প্রকল্প এগিয়ে নিতে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। দেশের সড়ক অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিআরটিসির জন্য বাস ও ট্রাক সংগ্রহ, সড়ক উন্নয়নে যন্ত্রপাতি সংগ্রহে অর্থায়নের জন্য শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত রীভা দাশ গাঙ্গুলির এটি ছিল সৌজন্য সাক্ষাৎ। তিনি বাংলাদেশে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন করছেন দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে।

রীভা দাশ গাঙ্গুলি বলেন, দুই দেশের  সুসম্পর্ক বজায় থাকবে, অবশ্যই আরও ভালো হবে। গভীর ও দৃঢ় হবে। গত কয়েক বছরে অনেক কাজ হয়েছে। করোনার সময়েও আমরা অনেকগুলো নতুন নতুন উদ্যোগ নিয়েছি। নরমাল টাইমের মতো অনেক কাজ হয়েছে। সামাজিক দূরত্বের জন্য কাজে কোনো স্থবিরতা আসেনি। আগামীতে অবশ্যই আমাদের রিলেশনশিপ আরও ভালো হবে। আমাদের পলিটিক্যাল মোমেন্টাম আছে, যে গুডউইলটা রয়েছে। আর দুজন নেতার (শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি) মধ্যে যে ভিশনটা রয়েছে এতে কোনো সন্দেহ নেই যে সম্পর্ক আরও কাছে আসব। সড়ক, রেলপথ, নদীপথে যোগাযোগ আরও বাড়বে। মানুষ আর মানুষের মাঝে যোগাযোগটাও বাড়ছে।

ভারতের রাষ্ট্রদূত বলেন, এয়ার সার্ভিসটা শুরু হয়ে গেলে ভিসা দিতে পারব। লোকেদের যে অসুবিধা হচ্ছে, সেটা আমরা একটুখানি খেয়াল  রাখতে পারব।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত