আগামী এক মাসের ভেতর ভারতে শুরু হতে পারে রাশিয়ান টিকার তৃতীয় ধাপের ট্রায়াল।
রুশ টিকার পাশাপাশি বর্তমানে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের টিকার দ্বিতীয়/তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা চলছে ভারতে। তার দায়িত্বে রয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউট।
ভারতে ‘স্পুটনিক-ভি’-র পরীক্ষামূলক প্রয়োগ ও উৎপাদনের দায়িত্বে রয়েছে রেড্ডি’জ ল্যাবরেটরিজও। দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘ভারতে স্পুটনিকের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরুর জন্য দেশীয় সংস্থার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে বলা হয়েছে ওই টিকার নির্মাতা সংস্থাকে। সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা ইতিমধ্যে ভারতীয় সংস্থার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
‘স্পুটনিক-ভি’-র গবেষণায় অর্থ দিয়েছে রাশিয়ান ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (আরডিআইএফ)। ওই সংস্থার সঙ্গে রেড্ডি’জ ল্যাবের চুক্তি অনুযায়ী, ভারতে স্পুটনিকের ৩০ কোটি ডোজ় তৈরি হবে। এর মধ্যে ১০ কোটি পাবে ভারত।
প্রাথমিকভাবে হাজার থেকে দু’হাজার স্বেচ্ছাসেবক নেওয়া হবে। কিন্তু কত জনকে চূড়ান্ত ধাপে রাখা হবে, তা স্পষ্ট নয়। তবে অন্তত আট থেকে দশটি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ‘স্পুটনিক-ভি’-র পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছে রেড্ডি’জ।
করোনা ভ্যাকসিনের দৌড়ে রাশিয়ার পাশাপাশি এখন পর্যন্ত চীন-যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে এগিয়ে। রাশিয়া জাতীয়ভাবে ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়ে ব্যবহার শুরু করেছে।
চীনের চারটি ভ্যাকসিন তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালে আছে। পৃথিবীর অন্য কোনো দেশ এত ভ্যাকসিন তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালে নিতে পারেনি।
এর মধ্যে চীনা ন্যাশনাল বায়োটেক গ্রুপের তৈরি দুটি টিকা ও সিনোভ্যাকের একটি টিকা জরুরিভাবে নাগরিকদের ওপর ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছে। চতুর্থ আরেকটি টিকা সেনাসদস্যদের দেওয়ার জন্য সবুজ সংকেত পেয়েছে।
