ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার সম্পাদক আবুল আসাদকে এক বছরের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট।
জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষে বুধবার বিচারপতি মো. এমদাদুল হক ও বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ জামিনের এ আদেশ দেয়।
রুলে কেন তাকে স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জামায়াত নেতা ও ‘মিরপুরের কসাই’ খ্যাত আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসির দণ্ডের রায় ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর কার্যকর করা হয়। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর সংগ্রাম পত্রিকার একটি প্রতিবেদনে আব্দুল কাদের মোল্লাকে ‘শহীদ’ উল্লেখ করার পরদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ হয়।
ওই দিন বিকেলে মগবাজারে সংগ্রাম পত্রিকার কার্যালয় ঘেরাও ভাঙচুর করেন বিক্ষুদ্ধরা। ওই দিনই পত্রিকাটির সম্পাদক আবুল আসাদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির রাষ্ট্রদ্রোহের ধারা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়।
এরপর রিমান্ড শেষে ১৮ ডিসেম্বর ঢাকার হাকিম আদালতে হাজির করা হলে আদালত তার জামিনের আবেদন না-মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়। সেই থেকে তিনি কারাগারে। ১১ মে ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চে আবুল আসাদের জামিন চেয়ে আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। এরপর ১৩ মে বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিমের ভার্চুয়াল বেঞ্চ আবুল আসাদকে জামিন না দিয়ে আবেদনটি হাইকোর্টের নিয়মিত বেঞ্চে উপস্থাপন করতে নির্দেশ দেয়।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার এর ওপর শুনানি হয়। আদালতে আবুল আসাদের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
