স্বামীকে আটকে বন্ধ কলেজের ছাত্রাবাসে স্ত্রীকে দলবেঁধে ধর্ষণ

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:৫৮ এএম

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে এক তরুণীকে (২০) দল বেঁধে ধর্ষণ করা হয়েছে। রাতের আঁধারে ওই তরুণীকে তার স্বামীর কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। ছাত্রলীগের নয়জন কর্মী এই কাণ্ড ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন স্বামীকে ঘটনাস্থলের অদূরে বেঁধে রেখে তরুণীকে ধর্ষণ করে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তরুণী ও তার স্বামীকে উদ্ধার করে। গত শুক্রবার রাত ১১টার দিকে সিলেট নগরীর টিলাগড় এলাকায় এমসি কলেজ ছাত্রাবাসের ৭ নম্বর ব্লকের একটি কক্ষের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

করোনা পরিস্থিতিতে ছাত্রাবাস বন্ধ ছিল। তবে ছাত্রাবাসের ওই কক্ষ ২০১২ সাল থেকে ছাত্রলীগের দখল করা কক্ষ হিসেবে পরিচিত। ওই কক্ষে থাকা ছাত্রলীগের একটি পক্ষের ছয়-সাতজন কর্মী তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত বলে তথ্য মিলেছে।

ধর্ষণের ঘটনায় তরুণীর স্বামী বাদী হয়ে গতকাল শনিবার ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও তিনজনকে আসামি করে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের শাহপরান থানায় মামলা করেছেন। মামলার আসামিরা ছাত্রলীগের ‘সক্রিয় কর্মী’ বলে পুলিশ ও দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে। করোনা মহামারীর কারণে কলেজের ছাত্রাবাস বন্ধ থাকা সত্ত্বেও তারা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সেখানে বসবাস করে আসছিল।

ধর্ষণের শিকার তরুণীর স্বামীর করা মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ধর্ষিত তরুণী সদ্য বিবাহিত। তার বাড়ি সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলায়। দক্ষিণ সুরমার এক তরুণের সঙ্গে কিছুদিন আগে তার বিয়ে হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে নিজেদের গাড়িতে করে স্বামীর সঙ্গে তিনি বেড়াতে বেরিয়েছিলেন। গাড়ি চালাচ্ছিলেন তার স্বামী। সন্ধ্যার দিকে তারা এমসি কলেজ এলাকায় ঘুরতে যান। এরপর কলেজ ছাত্রাবাসের প্রধান ফটকের সামনে গাড়ি দাঁড় করে স্বামী প্রয়োজনীয় কেনাকাটার জন্য পাশের একটি দোকানে যান। এ সময় পাঁচ-ছয়জন যুবক তরুণীকে ঘিরে ধরে। স্ত্রীর চিৎকার শুনে স্বামী দৌড়ে সেখানে যান। তখন যুবকরা ওই তরুণ-তরুণী স্বামী-স্ত্রী কি না, এমন প্রশ্ন তুলে চাঁদা দাবি করে। একপর্যায়ে তারা ওই দম্পতিকে গাড়িসহ ছাত্রাবাসের ৭ নম্বর ব্লকে নিয়ে যায়। সেখানে কিছুটা দূরে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণ করা হয়। ঘণ্টাখানেক পর স্বামীকে ছেড়ে দিলে তিনি স্ত্রীকে বিধ্বস্ত অবস্থায় দেখতে পান।

ছাত্রাবাস এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, নারী কণ্ঠের চিৎকার শুনে আশপাশের কিছু লোক ও ছাত্রাবাসের স্টাফকোয়ার্টার থেকে শিক্ষক ও কর্মচারীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বামী-স্ত্রীকে কান্নাকাটি করতে দেখেন। এরপর পুলিশে খবর দেওয়া হয়। রাত ১২টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে এবং তাদের গাড়ি ও অভিযুক্ত ধর্ষকদের ফেলে রেখে যাওয়া একটি মোটরসাইকেল জব্দ করে। পরে ধর্ষিত তরুণীকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইউনুছুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, তিনি গতকাল দুপুরে ওসিসিতে গিয়ে তরুণীর চিকিৎসার খোঁজ নিয়েছেন। নির্যাতনের শিকার তরুণী শারীরিকভাবে ঝুঁকিমুক্ত থাকলেও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ও আতঙ্কিত অবস্থায় রয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন।

মামলার এজাহারে আসামি যারা : তরুণীর স্বামীর করা মামলার এজাহারে নাম উল্লেখ করা আসামিরা হলো সাইফুর রহমান (২৮), তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮), শাহ মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), অর্জুন লস্কর (২৫), রবিউল ইসলাম (২৫) ও মাহফুজুর রহমান মাসুম (২৫)। তাদের মধ্যে তারেক ও রবিউল বহিরাগত এবং অন্যরা এমসি কলেজের সাবেক ও বর্তমান ছাত্র।

আসামিদের মধ্যে সাইফুরের বাড়ি সিলেটের বালাগঞ্জে ও বর্তমান ঠিকানা এমসি কলেজ ছাত্রাবাসের তত্ত্বাবধায়কের বাংলো উল্লেখ করা হয়েছে। মাহবুবুর রহমানের বাড়ি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বেগুনিপাড়ায় ও বর্তমান ঠিকানা ছাত্রাবাসের ৭ নম্বর ব্লকের ২০৫ নম্বর কক্ষ, মাহফুজুর রহমানের বাড়ি সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামে, রবিউলের বাড়ি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার জগদল গ্রামে, অর্জুনের বাড়ি জকিগঞ্জের আটগ্রামে এবং তারেকের বাড়ি সুনামগঞ্জ শহরের হাসননগর এলাকায়। তাদের মধ্যে সাইফুর, রনি ও মাহফুজুর এমসি কলেজের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র এবং অর্জুন সাবেক ছাত্র।

শাহপরান থানার ওসি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী গতকাল বিকেলে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ছয়জনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের সবাইকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গণধর্ষণকারীদের ধরতে শুক্রবার মধ্যরাত থেকেই অভিযান চলছে।’

অন্যদিকে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার গোলাম কিবরিয়া দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমি নিজে আজ (শনিবার) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের বিভিন্ন দল কাজ করছে। আশা করছি দ্রতই তারা ধরা পড়বে।’

আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘অপরাধীর অন্য কোনো পরিচয় নেই, সে অপরাধীই। অন্য কোনো পরিচয়ে ছাড় পাওয়ার ন্যূনতম কোনো সুযোগ নেই।’

তবে গতকাল রাত ১০টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তরুণীকে ধর্ষণ মামলার কোনো আসামি ধরা পড়েনি।

এদিকে ঘটনার পর শুক্রবার গভীর রাতে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসের ৭ নম্বর ব্লকে ছাত্রলীগের কক্ষ হিসেবে পরিচিত একটি কক্ষ থেকে বেশ কিছু ধারালো অস্ত্র ও একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ছাত্রাবাসের ওই কক্ষের আবাসিক ছাত্র সাইফুরকে আসামি করে মামলা করেছে। তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায়ও সাইফুর অন্যতম আসামি।

শাহপরান থানার ওসি আবদুল কাইয়ুম জানান, উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি পাইপগান, চারটি রামদা, একটি চাকু ও দুটি লোহার পাইপ।

কলেজ কর্র্তৃপক্ষের ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি : এমসি কলেজের অধ্যক্ষ সালেহ আহমদ জানান, ছাত্রাবাসের ভেতরে ধর্ষণের ঘটনায় গতকাল কলেজে জরুরি সভা আহ্বান করা হয়। সভায় ঘটনা তদন্তে কলেজের পক্ষ থেকে ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কলেজের গণিত বিভাগের প্রধান আনোয়ার চৌধুরীকে প্রধান করে ওই কমিটিতে ছাত্রাবাসের দুজন তত্ত্বাবধায়ককে রাখা হয়েছে। কমিটিকে এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

কলেজ ও ছাত্রাবাস বন্ধ থাকা অবস্থায় ছাত্রাবাসে কলেজের ছাত্রদের পাশাপাশি বহিরাগতরা কীভাবে থাকার সুযোগ পাচ্ছে, তা জানতে চাইলে অধ্যক্ষ সালেহ আহমদ বলেন, ‘বিষয়টি ছাত্রাবাসের তত্ত্বাবধায়ক ভালো বলতে পারবেন। এ বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্যই কমিটি গঠন করা হয়েছে।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ধর্ষণ ঘটনায় অভিযুক্ত কলেজছাত্রদের কলেজ থেকে বহিষ্কারের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত পদক্ষেপ নিতেও র‌্যাব ও পুলিশকে অনুরোধ করা হয়েছে।’

অভিযুক্তরা ছাত্রলীগের রণজিত গ্রুপের সক্রিয় কর্মী : স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নেতা জানান, ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্তরা এমসি কলেজ ও টিলাগড়কেন্দ্রিক ছাত্রলীগের একটি গ্রুপের সক্রিয় কর্মী। জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক রণজিত সরকারের অনুসারী হিসেবে তারা পরিচিত। টিলাগড়ে ছাত্রলীগের আরও বিভিন্ন উপগ্রুপ রয়েছে। এসব গ্রুপ-উপগ্রুপের অনেকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও সন্ত্রাসের অভিযোগ রয়েছে। গত মে মাসে টিলাগড়ে সরকারি পশুখামারে গিয়ে রণজিত অনুসারী গ্রুপের কয়েকজন বিনা মূল্যে ছাগল দিতে বলে। এতে রাজি না হওয়ায় ওই কার্যালয়ের কর্মকর্তাকে তারা মারপিট করে। শুক্রবার রাতে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতরাও রণজিত গ্রুপের সক্রিয় কর্মী। এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে রণজিত সরকারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি।

ক্ষোভ-নিন্দায় উত্তাল সিলেট : এমসি কলেজের মতো ঐতিহ্যবাহী একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রাবাসে তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে সিলেট। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী সংগঠন, সুশীল সমাজ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে। গতকাল দুপুরে এমসি কলেজের সামনে কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা সিলেট-তামাবিল সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন এবং ধর্ষকদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানান। এ সময় বক্তারা বলেন, করোনার কারণে কলেজ ও ছাত্রাবাস বন্ধ। এরপরও সেখানে কারা কীভাবে থাকার সুযোগ পায় সেটা কলেজ কর্র্তৃপক্ষকে বলতে হবে। প্রায় ঘণ্টাখানেক অবরোধ শেষে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে অপরাধীদের গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।

জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি চায় সিলেট আ.লীগ ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ : এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন সিলেটের স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ঘটনাটির নিন্দা জানানোর ভাষাও জানা নেই। যে বা যারা ঐতিহ্যবাহী এমসি কলেজের গায়ে কলঙ্ক লাগিয়েছে, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। প্রশাসন যেন তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেয়।’

অন্যদিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এমসি কলেজে ১২ বছর ধরে ছাত্রলীগের কোনো কমিটি নেই। ফলে ছাত্রলীগের পদধারী কোনো নেতাও সেখানে নেই। আমরা জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে নিকৃষ্টতম এই ঘটনার (তরুণী ধর্ষণ) বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।’

এদিকে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে তরুণী ধর্ষণসহ দেশের কয়েকটি জায়গায় আরও কয়েকটি ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার নিশ্চিতের দাবিতে আজ রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ। ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র পাল দেশ রূপান্তরকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

১৮৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত এমসি কলেজ বাংলাদেশর অন্যতম প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। নগরের টিলাগড় এলাকায় ৬০০ শতক জায়গার ওপর ১৯২০ সালে ব্রিটিশ আমলে আসাম ঘরানার স্থাপত্যরীতির ছাত্রাবাস নির্মাণ করা হয়েছিল। ২০১২ সালের ৮ জুলাই ছাত্রলীগ-শিবির সংঘর্ষের জের ধরে আগুন দিয়ে পোড়ানো হয়েছিল ছাত্রাবাসের ৪২টি কক্ষ। ২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর পুনর্নির্মিত ছাত্রাবাস উদ্বোধন করা হয়। এর পর থেকে ছাত্রলীগই এককভাবে ছাত্রাবাসে আবাসিক ছাত্রদের বসবাস নিয়ন্ত্রণ করছে। যদিও এমসি কলেজে ছাত্রলীগের কোনো কমিটি নেই। সিলেটে জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগের কমিটিও কেন্দ্র থেকে স্থগিত রয়েছে। করোনা পরিস্থিতির কারণে গত ২৫ মার্চ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ রয়েছে এই ছাত্রাবাস।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত