বাংলাদেশের কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিজেদের হাসপাতাল বন্ধ করার জন্য ‘পর্যাপ্ত রোগীর’ অভাবকে দায়ী করেছে মালয়েশিয়া সরকার।
দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে উদ্ধৃত করে ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে (এফএমটি) বুধবার জানিয়েছে, রোগীর সংখ্যা অনেক কমে যাওয়ায় তারা ফিল্ড হাসপাতালটি নির্ধারিত সময়ের আগে বন্ধে করে দেয়।
মালয়েশিয়া ২০১৭ সালের শেষ দিকে রোহিঙ্গাদের জন্য কক্সবাজারে ক্যাম্পের বাইরে একটি হাসপাতাল করে। ২০২০ সালের মার্চে এটি বন্ধ করা হয়।
মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘ক্যাম্পে এখন ছয়টি ফিল্ড হাসপাতাল আছে। কয়েক বছরে রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সার্বিক সুযোগও বেড়েছে। তাদের হাতে এখন অনেক অপশন। পাশাপাশি স্থানীয়রাও হাসপাতালটির ওপর অতটা নির্ভরশীল নয়।’
‘ফিল্ড হাসপাতাল তৈরির উদ্দেশ্য আমাদের অর্জন হয়েছে। এটি বন্ধ করায় দুই দেশের সম্পর্কের কোনো অবনতি হবে না।’
২০১৭ সালের নভেম্বর থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত হাসপাতালটিতে ১ লাখ ৮ হাজার ৩৮ জন রোগী সেবা নিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সার্জারি হয়েছে ৩ হাজার ৫০০টির বেশি।
মাসের হিসাবে সবচেয়ে বেশি রোগী ছিল ২০১৮ সালের নভেম্বরের দিকে, ৮ হাজার ৭৬৩ জন। সেটি কমে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ১ হাজার ৬৯০ জনে নেমে আসে।
এমন পরিস্থিতিতে ২০২১ সালের ডিসেম্বরের আগেই হাসপাতালটি বন্ধ করে দেয়া হয়।
মালয়েশিয়া জানিয়েছে, তারা রোহিঙ্গাদের বিষয়ে আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা চালিয়ে যাবে।
