নড়াইল সদর উপজেলার তুলারামপুর ইউনিয়নের বেনাহাটি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত কলেজশিক্ষক অরুণ রায় (৭৩) হত্যাকান্ডের ঘটনায় মামলা হয়েছে। নিহতের স্ত্রী মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) খুলনার উপপরিচালক নিভা রানী পাঠক বাদী হয়ে গত শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মামলাটি করেন। এদিকে পুলিশ এ হত্যাকান্ড সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এ পর্যন্ত পাঁচজনকে আটক করেছে।
মামলার বাদী জানান, কারো নাম উল্লেখ না করেই মামলা হয়েছে। শুনেছি জমিজমা নিয়ে শরিকদের সঙ্গে ঝামেলা ছিল। কাদের সঙ্গে ছিল বা কোনো মামলা ছিল কি না তাও বলতে পারব না।
নিভা রানী পাঠক, তার দুই সন্তান প্রকৌশলী ইন্দ্রজিৎ রায় ও চিকিৎসক ইন্দিরা রায় চাকরির সুবাদে জেলার বাইরে অবস্থান করেন। গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার তুলারামপুর ইউনিয়নের বেনাহাটি গ্রামে নিভা রানীর স্বামী অরুণ রায় একা থাকতেন।
গত শুক্রবার অরুণ রায়ের সঙ্গে পরিবারের সদস্যরা মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে ফোন বন্ধ পান। সন্ধ্যার পর নীভা রানী ও ছেলে ইন্দ্রজিৎ খুলনা থেকে বাড়িতে এসে কলাপসিবল গেট বন্ধ পেয়ে মই বেয়ে উঠে দোতলা ভবনের দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে অরুণ রায়ের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান।
