সরকার আলুর দাম পুননির্ধারণ করে দেওয়ার পর দিনাজপুরের হাকিমপুরের বাজারে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। কমতে শুরু করেছে সব ধরনের আলুর দাম। বর্তমানে সব ধরনের আলু সরকার নির্ধারিত দামেই বিক্রি হচ্ছে। আগের তুলনায় আলুর দাম কমায় কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও এখনো আলুর দাম বাড়তি থাকার কারণে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের সাধারণ মানুষজন।
আলুর বাজার নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদারের পাশাপাশি সরকারিভাবে টিসিবির মাধ্যমে আলু বিক্রির দাবি জানিয়েছেন তারা।
সরেজমিন হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সরকার আলুর দাম পুনর্নির্ধারণ করে দেওয়ার পর অবশেষে হিলি বাজারে নির্ধারিত মূল্যেই আলু বিক্রি শুরু হচ্ছে। বর্তমানে গুটি ও কাটিনাল আলু ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে কিছু কিছু দোকানে ৩৬ টাকাও বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে এসব আলু আগে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল।
বাজারে আলু কিনতে আসা মনিরা বেগম বলেন, আলুর দাম কয়েক দিন আগে ৪০/৪৫ টাকা এমনকি ৫০ টাকায়ও উঠে গিয়েছিল। সরকার আলুর মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়ার ফলে বর্তমানে আলুর দাম কিছুটা কমেছে। বর্তমানে এসব আলু ৩৫/৩৬ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে যার কারণে আমাদের সবার জন্য কিছুটা সুবিধা হয়েছে।
হিলি বাজারের আলু বিক্রেতা সরোয়ার হোসেন বলেন, সরকার আলুর দর নির্ধারণ করে দেওয়ায় আমরা কিছুটা কম দামে কিনতে পারছি যার কারণে কিছুটা কম দামে বিক্রি করতে পারছি। বর্তমানে গুটি ও কাটিনাল জাতের আলু পাইকারিতে আমরা ৩৪ টাকা কেজি কিনছি আর আমরা বিক্রি করছি ৩৫ টাকা কেজি দরে। এর আগে বাড়তি মূল্যে কিনতে হওয়ায় ৪০/৪৫ টাকা কেজি বিক্রি করতে হয়েছিল যার কারণে আলুর বেচাকেনাও কমে গিয়েছিল বর্তমানে দাম কিছুটা কমায় বেচাকেনাও ভালো হচ্ছে। সরকার যদি কোল্ড স্টোরেজগুলোর দিকে আরও নজরদারি বাড়ায় বা ব্যবস্থা নেয় তাহলে আলুর দাম কমে আসবে বলেও জানান।
হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রাফিউল আলম বলেন, আলুর ঊর্ধ্বমুখী রুখতে বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছি ও মাঠ পর্যায়ে পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রেখেছি। কেউ যদি সরকারি সেই নির্দেশনা অমান্য করে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
