দেশে এসে করোনার কারণে আটকা পড়ে আর বিদেশে যেতে পারেননি জাকারিয়া । আশা ছিল, ওমানে কর্মস্থলে গিয়ে সংসারের বাকি স্বপ্নপূরণ করবেন। তা আর হলো না। আর কখনো যাওয়াও হবে না ওমানে।
বুধবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে পটিয়া বাইপাস সড়কের দক্ষিণ ঘাটা চৌধুরী বাড়ির টেক এলাকায় চট্টগ্রাম শহর থেকে বাড়ি ফেরার পথে বাস-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হন তিনি।
নিহত মো. জাকারিয়া (৩২) চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার উপজেলার বড়হাতিয়া চান্দির পাড়া এলাকার মো. ইসমাইল হোসেনের ছেলে।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন একই এলাকার নুরুল আমিনের ছেলে মিজানুর রহমান (২৯) ।
নিহত জাকারিয়ার বড়ভাই মোহাম্মদ আবদুল্লাহ দেশ রূপান্তরকে জানান, তার ছোট ভাই জাকারিয়া ওমান প্রবাসী। লকডাউনের সময় দেশে এসে আটকে গিয়েছিল। বৃহস্পতিবার তার ফ্লাইট ছিল। সে বিষয়ে কনফার্ম করার জন্য সে চট্টগ্রাম শহরে গিয়েছিল। বাড়িতে আসার পথেই তার সড়ক দুর্ঘটনায় মর্মান্তিক মৃত্যু।
হাইওয়ে পুলিশের ওসি সিরাজুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে জানান, সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেল নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে লোহাগাড়ার দিকে যাচ্ছিল জাকারিয়া ও মিজান। পটিয়া বাইপাস সড়কে তাদের বাইকের সঙ্গে কক্সবাজার থেকে আসা হানিফ পরিবহনের একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে গুরুতর আহত দু’জনকে উদ্ধার করে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে জাকারিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। অপরজনকে হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দিয়ে ভর্তি করা হয়। ঘাতক বাসটিকে আটক করা গেলেও চালক হেলপার পলাতক ।
পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক পূর্ণা তালুকদার দেশ রূপান্তরকে বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই জাকারিয়া মারা গেছেন। একই ঘটনায় আহত মিজানুর রহমানকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
