মাত্র ১৭ লাখ ২৪ হাজার ভোটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেওয়া লিবার্টারিয়ান পার্টির নারী প্রার্থী জো জোর্গেনসন তৃতীয়স্থান অধিকার করতে যাচ্ছেন।
ডেমোক্র্যাট জো বাইডেন ও রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পের পর এটাই এবারের নির্বাচনে কোনো প্রার্থীর পাওয়া সবচেয়ে বেশি ভোট।
জোর্গেনসেনের পরে আছেন গ্রিন পার্টির হাউই হকিন্স; তার প্রাপ্ত ভোট ৩ লাখ ৩৯ হাজারের চেয়ে একটু বেশি।
সিএনবিসি জানিয়েছে, দোদুল্যমান যে কয়েকটি রাজ্যের ভোটের ফলের উপর এখনও ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জো বাইডেনের ভাগ্য নির্ভর করছে তার কয়েকটিতে লিবার্টারিয়ান পার্টি দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর ভোট কেটেছে বলেও ভাষ্য অনেক বিশ্লেষকের।
ক্লেমসন বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের শিক্ষক জো জোর্গেনসেন দুই সন্তানে মা। তিনি ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড অর্গানাইজেশনাল সাইকোলজিতে পিএইচডি ডিগ্রিধারী।
জোর্গেনসেন মনে করেন, ডেমোক্র্যাট বা রিপাবলিকানদের মতো বড় দলগুলো যে ভোট কেড়ে নেওয়ার কথা বলছে, তা তাদের দাম্ভিকতা মাত্র। তিনি আরও বলেন, ‘এটি সত্য যে তৃতীয় পক্ষের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা নির্বাচন নির্ধারণে সহায়তা করতে পারে।’
এর আগে ২০১৬ সালের নির্বাচনে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে গ্রিন পার্টির প্রার্থী জিল স্টেইন ও লিবারটারিয়ান পার্টির প্রার্থী গ্যারি জনসন কয়েকটি সুইং অঙ্গরাজ্যে উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়েছিলেন। মিশিগানের মতো অঙ্গরাজ্যে, যেখানে হিলারি ক্লিনটনের জেতা জরুরি ছিল, সেখানে তারা ২ লাখ ২২ হাজার ৪০০ ভোট পেয়েছিলেন। হিলারি মিশিগানে ট্রাম্পের কাছে ১০ হাজার ৭০৪ ভোটে হেরেছিলেন। ফ্লোরিডাতেও তৃতীয় পক্ষের প্রার্থীরা ২ লাখ ৯৩ হাজার ভোট পেয়েছিলেন। সেখানে হিলারি ১ লাখ ১৯ হাজার ৭৭০ ভোটে হেরেছিলেন।
জোর্গেনসেন আশির দশকে লিবারটারিয়ান পার্টিতে যোগ দেন। ১৯৯৬ সালে তিনি দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হন।
