পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে গতকাল রবিবার দুপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। এ ঘটনায় পুলিশ দুজনকে আটক করেছে।
স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার করমজা ইউনিয়নের আফড়া গ্রামের নেকবার আলী ও কাজীলাল প্রামাণিক পক্ষের মধ্যে জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছে। গত শুক্রবার সকালে নেকবার পক্ষের এমদাদুল আফড়া গ্রামে জমি চাষ করতে গেলে জমির সীমানা নির্ধারণ নিয়ে কাজীলাল পক্ষের কালুর সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে ধাওয়া দেয়। এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে শনিবার পর্যন্ত দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এর জের ধরে গতকাল সকাল ১০টার দিকে নেকবার পক্ষের লোকজন জমিতে কাজ করতে গেলে কাজীলাল পক্ষ হামলা চালায়। একপর্যায়ে নেকবার পক্ষের লোকজন পিছু হটলে কাজীলাল পক্ষ তার বাড়িসহ পাঁচ-ছয়টি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুট করে। হামলা চলাকালে কয়েকটি গুলি ছোড়া হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানায়। এতে বাধা দিতে গিয়ে একজন গুলিবিদ্ধসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন। আহতদের সাঁথিয়া, বেড়া, পাবনা ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নেকবার পক্ষের বেল্লালের স্ত্রী সাথী খাতুন জানান, প্রতিপক্ষ হামলা চালিয়ে বেলাল, জলিল, সোবহান, আয়ুব আলী, ইসলাম, আজিত, মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এ সময় ২ লাখ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও ঘরের আসবাব লুট করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় পুলিশ কাজীলাল পক্ষের কালু মেম্বার ও নেকবারের পক্ষের বেলালকে আটক করেছে। সাঁথিয়া থানার ওসি আসাদুজ্জামান জানান, এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
