চট্টগ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত যুবলীগ কর্মী মারুফ হোসেন চৌধুরীর (৩০) মৃত্যুর ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার রমজান আলী (২৫) ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গত সোমবার গভীররাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আশুগঞ্জ উপজেলার ফেরিঘাট এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডবলমুরিং থানার ওসি সদীপ কুমার দাশ বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর রমজান পালিয়ে যায়। সোমবার রাতের কোনো একসময় সে সীমান্ত পার হয়ে ভারত চলে যাওয়ার প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করেছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি আবাসিক হোটেল থেকে গ্রেপ্তার করে।
হত্যাকাণ্ডে যুক্ত থাকার কথা সে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর ডবলমুরিং থানার আগ্রাবাদ এলাকার কমার্স কলেজের সামনে যুবলীগের দুই পক্ষের কর্মীদের মধ্যে কথা কাটাকাটির জেরে মারামারিতে কাঠের খুঁটি দিয়ে মারুফকে (৩০) মাথায় আঘাত করা হয়। পরদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তার বোন রোজি চৌধুরী বাদী হয়ে রমজানকে প্রধান আসামি করে আরও ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
