আইসোলেশনে থাকা নেতাদের আসামি করা হয়েছে : ফখরুল

আপডেট : ১৮ নভেম্বর ২০২০, ০৩:৩৪ এএম

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘সরকার বলছে, সিসিটিভির ফুটেজ দেখে বাসে অগ্নিকা-ের হোতাদের ধরা হচ্ছে। অথচ বাসা, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, কোয়ারেন্টাইন কিংবা আইসোলেশনে থাকা নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়েছে। এমনকি দুই বছর যাবৎ পঙ্গুত্ব বরণকারী নেতাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাসকারী নেতাকর্মীদের এহেন মিথ্যা অভিযোগে আসামি করা হয়েছে।’ গতকাল মঙ্গলবার দলটির দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। 

বিবৃতিতে বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান নাদিমকে গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

অভিযোগ করে ফখরুল বলেন, ‘সরকার নিজেদের ব্যর্থতা, দুঃশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট ও ভোট ডাকাতির নির্বাচন আড়ালের উদ্দেশে জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে সুপরিকল্পিতভাবে ঢাকায় গণপরিবহনে আগুন দিয়েছে। এখন সেই ঘটনার দায়দায়িত্ব বিএনপির ওপর জবরদস্তিমূলকভাবে চাপিয়ে দিতে ষড়যন্ত্রমূলক বানোয়াট মামলা দায়ের করেছে। শুধু তাই নয়, গ্রেপ্তারের নামে বাসাবাড়িতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসবাবপত্র ভাঙচুরসহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অশালীন ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের এই ন্যক্কারজনক ঘটনার বিরুদ্ধে দেশব্যাপী যখন নিন্দা ও ধিক্কারের ঝড় উঠেছে, তখন সরকার স্বভাবসুলভভাবে মিথ্যাচার ও নাটক সাজিয়ে আবারও জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চাচ্ছে। সরকার বলছে, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে মামলা হয়েছে। অথচ একটি মামলার বাদী হিসেবে যাকে দেখানো হয়েছে তিনি নিজেই অস্বীকার করেছেন, তিনি মামলা করেননি। ভুয়া বাদীর সেই মামলায় নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ও হয়রানি করা হচ্ছে।’

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘প্রকৃত অর্থে এই মামলাগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বানোয়াট। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই ফ্যাসিবাদী সরকারের এই অপতৎপরতা।’ বিবৃতিতে ফখরুল অবিলম্বে নেতাকর্মীদের হয়রানি বন্ধ এবং গ্রেপ্তারদের নিঃশর্ত মুক্তি ও দায়ের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত