দেশের তিন জেলায় শিশু ও নারীসহ তিনজনের লাশ উদ্ধার হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত লাশগুলো উদ্ধার হয়। এর মধ্যে নরসিংদীর মাধবদীতে বস্তাবন্দি অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এছাড়া কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় নিখোঁজের এক দিন পর এক শিশু ও কিশোরগঞ্জের ভৈরবে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। বিস্তারিত প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে :
নরসিংদী : মাধবদীতে বস্তাবন্দি অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সকালে মাধবদী থানাধীন নুরালাপুর এলাকার একটি টেক্সটাইল মিলসংলগ্ন একটি কলাক্ষেত থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়। মাধবদী থানার ওসি সৈয়দুজ্জামান জানান, গতকাল সকালে টেক্সটাইল মিলের পেছনের ওই কলাক্ষেতে বস্তাবন্দি একটি লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধারের পর মর্গে পাঠানো হয়। তাৎক্ষণিকভাবে ওই নারীর নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তবে তার বয়স আনুমানিক ৩০ বছর হবে। নিহতের মাথায় আঘাতের চিহ্ন ও দাগ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে কয়েক দিন আগে হত্যার পর এখানে লাশ ফেলে রাখা হয়েছে।
কুষ্টিয়া : ভেড়ামারায় নিখোঁজের এক দিন পর মিম খাতুন (৮) নামে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল উপজেলার জুনিয়াদহ ইউনিয়নের নহির মোড় এলাকার জনৈক মুসা নামে এক ব্যক্তির পুকুর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। মিম ওই উপজেলার ৬নং জুনিয়াদহ ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের মদন আলীর মেয়ে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শাহেদ আহম্মেদ শওকত জানান, গত সোমবার সকালে বাড়ির পাশ থেকে নিখোঁজ হয় মিম। গতকাল বেলা ১১টার দিকে প্রতিবেশী জনৈক মুসার পুকুরে মিমের ভাসমান লাশ দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা।
কিশোরগঞ্জ : ভৈরবে আঁখি মনি (২০) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল দুপুরে উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের মানকিদী গ্রামের পাড়াতলা এলাকার স্বামীর বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। মৃতের স্বজনদের দাবি, আঁখি মনিকে হত্যার পর ঝুলিয়ে রাখে তার স্বামী সাফায়েত উল্লাহ ও তার পরিবারের সদস্যরা।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিন মাস আগে উপজেলার শিমূলকান্দি গ্রামের আরিজ মিয়ার মেয়ে আঁখি মনির বিয়ে হয় গজারিয়া ইউনিয়নের মানিকদী পাড়াতলা গ্রামের সাফায়েত উল্লাহর সঙ্গে। গত সোমবার রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরদিন সকালে (মঙ্গলবার) আঁখির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার হয়। ভৈরব থানার ওসি মো. শাহিন জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
