করোনাভাইরাসের বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ব্যবসা-বাণিজ্য পুনরুদ্ধার সম্ভব নয় বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। তারা বলছেন, দেশের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের পাশাপাশি বেশি ক্ষতির মুখে অপেক্ষাকৃত স্বল্প পুঁজির উদ্যোগ। এছাড়া নতুন উদ্যোগও এখন প্রত্যাশিত মাত্রায় এগুচ্ছে না। মূলত অর্থায়ন সংকটই এর পেছনে বড় কারণ। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ব্যবসা পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা বা বিজনেস রিকভারি প্ল্যান তৈরি ও তা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তারা।
গতকাল শনিবার ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্সের (ডিএসসিই) উদ্যোক্তা অর্থনীতি বিভাগ আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে তারা এসব কথা বলেন। তারা মনে করেন, এ পরিকল্পনার আওতায় একটি কমিটি গঠন করা উচিত, যে কমিটি নতুন উদ্যোক্তার পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়ে ধরে রাখাসহ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে প্রয়োজনীয় কর্মকৌশল ঠিক করবে ও পরামর্শ দেবে। বিশেষত প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার যথাযথ বাস্তবায়নে এ কমিটি সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে।
‘করোনা পরবর্তী নতুন সরবরাহ চেইনের তৎপরতা : এসএমই ও নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য সম্ভাবনা’ শীর্ষক ঐ সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন ভারতের এমটিসি গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ভোলানাথ দত্ত। ডিএসসিইর উদ্যোক্তা অর্থনীতি বিভাগের সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলীর সভাপতিত্বে এ সময় স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদরা পরিস্থিতি মোকাবিলা তথা উদ্যোক্তাদের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে তাদের মতামত তুলে ধরেন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের টিকিয়ে রাখার লক্ষ্যে এবং সরকারের প্রণোদনা প্যাকেজ যথাযথ বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে আরও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে খেলাপিদের বিষয়েও ব্যাংকগুলোকে সতর্ক থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেন।
