কর্মস্থলে উপস্থিত না হয়ে দাবি-দাওয়া আদায়ে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে থাকায় নড়াইল জেলায় ১৩৩ স্বাস্থ্যকর্মীকে কারণ দর্শানো (শোকজ) নোটিস দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এদের মধ্যে ৫ জন স্বাস্থ্য পরিদর্শক, ২৪ জন সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও ১০৪ জন স্বাস্থ্য সহকারী রয়েছে।
সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার তিনটি উপজেলায় কর্মরত ১৩৩ স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছে। গত ২৬ নভেম্বর থেকে অফিসে উপস্থিত না হয়ে তারা দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নে কর্মবিরতি পালন করছে। সরকারি চাকরি বিধি লঙ্ঘন করায় তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তারা কারণ দর্শানো নোটিস দিয়েছেন। বাংলাদেশ হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশন লোহাগড়া উপজেলা শাখার সভাপতি মিনা উচমান গনি বলেন, ‘অফিসে উপস্থিত না হয়ে কর্মবিরতি পালন করায় গত ১০ ডিসেম্বর আমাদের কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা। আমাদের তিন কর্মদিবসের মধ্যে উত্তর দিতে বলা হয়েছে।’
বাংলাদেশ হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশন নড়াইল জেলা শাখার সভাপতি আমিনুর রহমান বলেন, গত ২৬ নভেম্বর থেকে কর্মবিরতি পালন করে আসছি। আমাদের শোকজ করা হয়েছে। কিন্তু এতে আমরা বিচলিত নই। দাবি আদায়ের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
নড়াইলের সিভিল সার্জন আবদুল মোমেন বলেন, স্বাস্থ্যকর্মীরা আন্দোলনে থাকায় টিকাদান কর্মসূচিসহ নিয়মিত কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তাছাড়া আজ (১২ ডিসেম্বর) থেকে ২০২১ সালের ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত জেলায় ১ লাখ ৬০ হাজার ১২২ জন শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া হবে। কিন্তু স্বাস্থ্যকর্মীরা কর্মবিরতি পালন করায় বিকল্পভাবে টিকাদান কার্যক্রম চালাতে হবে।
